টেস্ট ক্রিকেটই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, সাফ জানিয়ে দিলো অস্ট্রেলিয়া

টেস্ট ক্রিকেটই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, সাফ জানিয়ে দিলো অস্ট্রেলিয়া

ফন্ট সাইজ:

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগের চাকচিক্য যতই বাড়ুক না কেন, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে টেস্ট মর্যাদাই সবসময় এক নম্বরে থাকবে। বিগ ব্যাশ লীগে এবার বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও এর রূপরেখা পরিষ্কার করে দিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছে, ঐতিহ্যবাহী টেস্ট মৌসুমের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। মঙ্গলবার সিডার্ন থেকে সিএ প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ এবং চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড নিশ্চিত করেন, ২০৩২ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত ঐতিহ্যবাহী বক্সিং ডে ও সিডনি টেস্টসহ আন্তর্জাতিক টেস্ট সূচি বহাল রেখেই এই ফ্র্যাঞ্চাইজি রূপান্তর প্রক্রিয়া চলবে। নতুন বিনিয়োগকারীরা দলের মালিকানা পেলেও কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ তারকা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে টেস্টের অগ্রাধিকার নীতি কঠোরভাবে বজায় থাকবে।

অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক টেস্ট চলাকালীন কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি বড় তারকাদের নিজেদের দলে পাবে না। এ প্রসঙ্গে সিএ চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘যদি কেউ পার্টনার হতে চায়, তবে আমাদের বর্তমান সূচি জেনেই এগোতে হবে। সূচি নির্ধারণের ক্ষমতা পুরোপুরি আমাদের হাতেই থাকছে।’ অন্যদিকে দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা ও ঠাসা সূচির কারণে বিগ ব্যাশে নিয়মিত হতে পারেননি প্যাট কামিন্স বা মিচেল স্টার্কের মতো তারকারা। তবে বিগ ব্যাশ ও আন্তর্জাতিক টেস্টের এই সময়সূচির দ্বন্দ্ব যে ভবিষ্যতে কিছুটা শিথিল হতে পারে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন অস্ট্রেলীয় টেস্ট অধিনায়ক কামিন্স।

তিনি বলেন, ‘বছরে আমরা নির্দিষ্ট-সংখ্যক ম্যাচই খেলতে পারি। তবে জানুয়ারি উইন্ডো কিছুটা উন্মুক্ত হলে হয়তো আমাদের মতো খেলোয়াড়দের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি হতে পারে।’ ইংল্যান্ডের ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের মতো অস্ট্রেলিয়া কোনো টেস্ট-মুক্ত সময় ঘোষণা না করলেও, টেস্ট ক্রিকেটকে সর্বাগ্রে রেখে বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের এই মডেলে বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি বাজার কতোটা আকৃষ্ট হয়- এখন সেটিই দেখার বিষয়।