২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৬৭ রোগী এমন দৃশ্য জীবনে দেখিনি: বিমানমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৬৭ রোগী। একটি ইনকিউবেটরে রাখা হচ্ছে তিনটি নবজাতক। ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনেই চলছে চিকিৎসাসেবা। এমন চিত্র দেখে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা যদি কোথাও হয়ে থাকে, তাহলে এই হাসপাতালে এসে হয়েছে। বাংলাদেশের কোথাও এমন পরিস্থিতি আছে বলে আমার জানা ছিল না। গতকাল বিকালে জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। মিল্লাত বলেন, আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই, আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতাগুলোর একটি আজ এই হাসপাতালে এসে হলো। হাসপাতাল দেখেছি, কিন্তু এমন পরিস্থিতি কখনো দেখিনি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী এটাকে করেছিলেন। এই বিশ বছরের এর মধ্যে কখনো হাত দেয়া হয় নাই। তিন যুগ পরে এই একই হাসপাতালে যেখানে ২৫০ রোগী থাকার কথা, সেখানে আজকে আছে ৮৬৭ জন। তাদের যে মানবেতর অবস্থা, এই অবস্থা আমি দেখে খুবই বিস্মিত এবং আমার জীবনে এরকম সিনারিও চোখে পড়ে নাই। আর জীবনে এরকম হাসপাতাল বাংলাদেশের কোথাও আছে, এটা আমার মনে হয়, আমার জানা নাই, থাকার কথাও না।

শিশু ওয়ার্ড ও ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাচ্চা-কাচ্চাদের ইনকিউবেটরে একটা বাচ্চার জায়গায় তিনটা করে রেখে দিচ্ছে। এই বিল্ডিংটাকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে ২০২১ সালে, তারপরেও এখানে রোগী আছে।’
এ সময় জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মাহফুজুর রহমান সোহানসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।