বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস এসোসিয়েশন (বাপা) জানিয়েছে, তাদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণ শেষে ২১ হাজার ৪৮৫ জনের কর্মসংস্থান বা আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। তবে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা মূল্যায়ন ও প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থানের তথ্য অনুসরণ এখনো চলছে। তাই এ সংখ্যাকে চূড়ান্ত কর্মসংস্থানের ফলাফল বলা হচ্ছে না। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্মসংস্থানের মধ্যে প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন শিল্পপার্ক ও প্রতিষ্ঠানে ৭ হাজারের বেশি, আকিজ গ্রুপে ৫৫৬, মেঘনা গ্রুপে ৪০৮, টিকে গ্রুপে ১ হাজার ১০৪, বনফুল ও কিষোয়ান গ্রুপে ৯১২ এবং হাশেম ফুডসে ২৮৮ জন চাকরিতে যুক্ত হয়েছেন। অন্য প্রশিক্ষণার্থীরা বাপার আওতাধীন বিভিন্ন কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও অন্যান্য আয়মূলক কাজও ফলাফলের আওতায় বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাপা জানিয়েছে, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ জোরদার, দক্ষ প্রশিক্ষণার্থীদের চাকরিতে নিয়োগের সুযোগ বাড়ানো, উদ্যোক্তা কার্যক্রমে উৎসাহ দেয়া এবং কর্মসংস্থানের তথ্য নিয়মিত যাচাই করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ১ হাজার ৯১৯টি ব্যাচে ৪৬ হাজার ৫৬ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। ব্যাচভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রার হিসাবে এটি শতভাগ অর্জন। প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ২৬ হাজার ৯৬ জন নারী ও ১৯ হাজার ৯৬০ জন পুরুষ। নারীর অংশগ্রহণের হার ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং পুরুষের তুলনায় নারী প্রশিক্ষণার্থী ৬ হাজার ১৩৬ জন বেশি। কার্যক্রমে ৫৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও ৫৫৮ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যও অংশ নিয়েছেন।
