মালয়েশিয়া সরকারের আপাতত অতিরিক্ত কোনো বিদেশী কর্মী আনার পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রমনন।
দেশটির ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে, দি ষ্টার অনলাইন, নিউ স্ট্রেইটস টাইমস সহ প্রায় সবকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বরাতে প্রকাশিত এক খবরে দাবি করা হয়েছিল, চলতি মাসের শেষ থেকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দফায় দফায় প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশী কর্মী গ্রহণ করবে মালয়েশিয়া।
এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ ও খারিজ করে দিয়ে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী বলেন, "ছয় মাসের মধ্যে দুই লাখ কর্মী আসা কীভাবে যুক্তিযুক্ত হতে পারে? তার মানে কি আমরা প্রতিদিন এক হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী দেশে নিয়ে আসব? এটি অবাস্তব, অসংলগ্ন এবং একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
তিনি ফ্রি মালয়েশিয়া টুডেকে নিশ্চিত করে বলেছেন, মালয়েশিয়া সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট শ্রমশক্তির মধ্যে বিদেশী কর্মীদের অনুপাত ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রমনন আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশী সমকক্ষদের সঙ্গে আলোচনার পর জানা গেছে যে প্রদত্ত বক্তব্যটিতে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৩তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনার অধীনে অর্থনীতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত সীমার সাপেক্ষে বিভিন্ন শিল্প ও খাতের প্রকৃত চাহিদার ওপর নির্ভর করে কর্মী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। যদি কোনো খাতের প্রকৃত ও জরুরি প্রয়োজন দেখা দেয়, কেবল তখনই তা নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হবে।
একই সাথে মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগ মন্ত্রী ফাহমি ফাদজিলও এই দাবিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশী প্রিতিমন্ত্রীর উক্ত মন্তব্যটি ঢাকার কোনো অফিসিয়াল বা আনুষ্ঠানিক অবস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে না।
আপাতত অতিরিক্ত কোনো বিদেশী কর্মী আনার পরিকল্পনা সরকারের নেই: মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রমনন
স্টাফ রিপোর্টার, মালয়েশিয়া থেকে
অনলাইন
১ ঘন্টা আগে
২ সেপ্টেম্বর (বুধবার), ২০২৬, ১১ঃ০৮ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
