ডাগআউটে নেই সহকারী কোচ

ডাগআউটে নেই সহকারী কোচ

ফন্ট সাইজ:

বৃটিশ প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর দ্বন্দ্বের কথা সবার জানা। সেই দ্বন্দ্বের রেস দেখা গেছে উজবেকিস্তানেও। সোমবার রাতে উজবেকিস্তান ম্যাচে সহকারী কোচ মিশুকে ডাগআউটে দেখা যায়নি। অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড থাকা সত্ত্বেও তিনি গ্যালারিতে ছিলেন। তার এমন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জোন্স দাবি করেছিলেন, মিশুকে তিনি নিতে চান না সফরসঙ্গী হিসেবে। ফেডারেশনের চাপে সেই অবস্থান থেকে সরে আসলেও তাকে একেবারে নিষ্ক্রিয় করে রেখেছেন। অনুশীলনে তিনি গেলেও তেমন কিছু করতে দেননা কোচ। ফলে মিশুর ভূমিকা অনেকটা পর্যবেক্ষকের মতো। ম্যাচ চলাকালে সহকারী কোচের অনেক ভূমিকা থাকে। খেলার কৌশল কিংবা খেলোয়াড় পরিবর্তনে কোচকে নানা পরামর্শ দেন সহকারী কোচ। আবার অনেক সময় হেড কোচও তার পরিকল্পনা নিয়ে সহকারীর সঙ্গে আলোচনা করেন।

মিশুকে দূরে রাখায় হয়তো সেটা আর হচ্ছে না। অনূর্ধ্ব-২০ দলের ম্যানেজার সামিদ কাশেম উজবেকিস্তান যাওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। সবাই উজবেকিস্তানে যাচ্ছে এবং খেলার প্রতি মনোযোগ সবার।’ মিশুর ডাগআউটে না থাকা উজবেকিস্তানে যাওয়ার পরও সংকট সমাধান না হওয়ার প্রমাণ। এনিয়ে ম্যানেজার সামিদ কাশেমের কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কোচদের এই দূরত্ব খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে। উজবেকিস্তান সিনিয়র দল বিশ্বকাপ খেলেছে এবার। জুনিয়র দলও বিশ্বকাপ খেলে। স্বাগতিক দল শক্তিশালী হলেও বাংলাদেশ তেমন পরিকল্পিত ফুটবল খেলতে পারেনি।

এর চেয়ে বড় বিষয়, ফুটবলারদের মধ্যে মানসিক তাড়নাও সেভাবে দেখা যায়নি। কোচদের দ্বন্দ্বের প্রতিফলন যেন মাঠে দেখা যাচ্ছে। তার ফলেই স্বাগতিকদের কাছে ২-০ গোলে হেরে বাছাইপর্ব শুরু করেছে বাংলাদেশ। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিয়া। আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে তাদের মুখোমুখি হবেন বাংলাদেশের যুবারা। এবারের প্রতিযোগিতায় ৪৪টি দলকে ভাগ করা হয়েছে দু’টি স্তরে। নিচের সারির ১২টি দল খেলছে ‘ডেভেলপমেন্ট বিভাগে’। আর চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ে রয়েছে ৩২টি দল। আগামী বছর মার্চে চীনে হবে মূল পর্ব। সেখানে জায়গা পাবে আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও সেরা সাত রানার্সআপ দল। এই ১৫ দলের সঙ্গে আয়োজক হিসেবে মূল পর্বে সরাসরি থাকবে চীন।