আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন চান জ্যোতি

আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন চান জ্যোতি

ফন্ট সাইজ:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে হংকং-থাইল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে নারী এশিয়া কাপের দশম সংস্করণের পর্দা উঠেছে। দুইদিন পর মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ। ৩১শে আগস্ট টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এর আগে গত বৃহস্পতিবার অধিনায়কদের নিয়ে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে কথা বলেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার। সেখানে বাংলাদেশি সমর্থন চাওয়ার পাশাপাশি ইতিবাচক ক্রিকেট খেলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশির বসবাস। সেখানে নারী এশিয়া কাপ মাতাবে টাইগ্রেসরা। তাদের উদ্দেশ্যে জ্যোতি বলেন, ‘প্রথমত হচ্ছে যে আমরা যতবারই এখানে এসেছি, আমরা অনেক বেশি মানুষের সাপোর্ট পেয়েছি। আমাদের যারা বাঙালি ভাইবোনরা এখানে আছেন, তারা আসেন মাঠে আমাদেরকে সাপোর্ট করেন। শেষ বার যখন আমরা এসেছিলাম ২০২৪ সালেও, তো আমরা এবারো আশা করছি তারা যেন আসেন এবং আমাদের জন্য চিয়ার করেন মাঠে। আমি বলবো বাংলাদেশের মানুষ যেখানেই থাকেন না কেন, তারা সব সময় চায় যেন নারী ক্রিকেট বেটার ওয়েতে অ্যাপ্রোচের প্রত্যেকটা টুর্নামেন্টে আসে।’ এবারের এশিয়া কাপেও ভালো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন বলে জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক। একইসঙ্গে সেমিফাইনালের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে ওঠার প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি। জ্যোতি বলেন, ‘আমরা এটাকে (বিশ্বকাপ) সামনে রেখে অনেক ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি এবং আমি মনে করি প্রত্যেকবার আসলে আমরা সেমি পর্যন্ত গিয়েই বাড়ি ফিরতে হয়। আমাদের এবারের টার্গেটটা এরকমই থাকবে যেন আমরা ফাইনাল খেলতে পারি এবং অবশ্যই বাংলাদেশকে যেন আরেকটা কিছু সেলিব্রেশন করার একটা উদ্দেশ্য দিতে পারি।’ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রসঙ্গও আসে সংবাদ সম্মেলনে। সেই টুর্নামেন্টে শেষ মুহূর্তে কয়েকটি ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার কথা উল্লেখ করে এবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার প্রত্যয় জানিয়েছেন জ্যোতি।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা এই টুর্নামেন্টের জন্য খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি। আর আপনি তো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা বললেনই, সেখানে একদম শেষ মুহূর্তে আমরা কয়েকটা ম্যাচ মিস করেছিলাম। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে যাতে এবার সেই ভুলগুলো না হয় এবং আমরা ভালো মানসিকতা নিয়ে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে মুখিয়ে আছি।’

এবারের আসরে বাংলাদেশ রয়েছে ‘বি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে টাইগ্রেসদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা, স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং নতুন দল ইন্দোনেশিয়া। অন্যদিকে, ‘এ’ গ্রুপে লড়বে পরাশক্তি ভারত, পাকিস্তান, হংকং ও থাইল্যান্ড। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী দুই গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো জায়গা করে নেবে সেমিফাইনালে, আর ১৩ই সেপ্টেম্বর ফাইনালের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এই লড়াই। ২০১৮ সালে কুয়ালালামপুরের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ আট বছর পর সেই সাফল্য পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।