আবাসন সংকটে এশিয়ান গেমসের আয়োজক জাপান

আবাসন সংকটে এশিয়ান গেমসের আয়োজক জাপান

ফন্ট সাইজ:

গেমস শুরুর আগেই আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে আয়োজক জাপান। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রাথমিক ধারণার চেয়ে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়াতে এই সংকটে পড়েছে স্বাগতিক দেশটি। এবার ২০তম এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ১৭ হাজারে পৌঁছানোর কারণেই এ সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিএ) কাছে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কমানোর অনুরোধ জানিয়েছেন জাপানি আয়োজকরা। আয়োজকরা প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার অ্যাথলেট ও কর্মকর্তার জন্য বাজেটিং এবং থাকার সংস্থান করেছিলেন। তবে মার্চ মাসে টেকবল এবং প্যাডেলের মতো নতুন খেলা অন্তর্ভুক্ত করায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৭ হাজারে। পর্যাপ্ত বাজেট ও জায়গা না থাকায় বাড়তি অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাদের নিজ দায়িত্বে থাকার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

প্রথাগত অ্যাথলেটস ভিলেজ না থাকায় বিকল্প হিসেবে জাহাজে চার থেকে পাঁচ হাজার অ্যাথলেটের থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, কন্টেইনার আকারের অস্থায়ী বাসস্থান, বিভিন্ন হোটেল এবং টোকিও’র কিছু আবাসন ব্যবহার করা হচ্ছে। আয়োজক কমিটির সভাপতি ও আইচি প্রিফেকচারের গভর্নর হিদেয়াকি ওমুরা জানান, শেষ মুহূর্তে যোগ হওয়া অ্যাথলেটদের জন্য প্রয়োজনীয় থাকার ব্যবস্থা করার মতো পর্যাপ্ত জনবল বা বাজেট কোনোটিই আয়োজকদের নেই। ওমুরা ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘আয়োজক শহরের চুক্তিতে ১৫ হাজার জনের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ ছিল। এর চেয়ে বেশি লোকের জন্য আমরা কোনো বাজেট বরাদ্দ রাখিনি।

তাদের থাকার মতো আসলেই আর কোনো জায়গা নেই। তারা যদি এখনও আসতে চান, তবে তাদের থাকার ব্যবস্থা নিজেদেরই করতে হবে।’ আবাসন সংকটের পাশাপাশি ক্রিকেটের অস্থায়ী ভেন্যু নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। নাগয়ার কোরোগো স্পোর্টস পার্ক; যা কিছুদিন আগেও বেসবল মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হতো, সেটিকে ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করায় আপত্তি জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ভেন্যুটির মান নিয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) অন্য সদস্যরাও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ এশিয়ান গেমস আগামী ১৯শে সেপ্টেম্বর থেকে ৪ঠা অক্টোবর পর্যন্ত জাপানের আইচি প্রিফেকচারের নাগয়া শহর ও এর আশপাশের অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।