লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ফলিমারী গ্রামের স্কুলছাত্রী নন্দিনী রায় (৭) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর দুই আসামি রনজিৎ কুমার রায় ও মমতা রানীকে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রোববার লালমনিরহাটের দায়রা জজ মো. হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি বিচারের জন্য দায়রা আদালতে আসার পর ছয় কার্যদিবসের মধ্যে রায় ঘোষণা করা হয়।
আদালতের রায়ের সারমর্ম অনুযায়ী, নিহত নন্দিনী রায়ের বাবা নলনী মোহন বর্মন ২০২৬ সালের ১৬ জুন আদিতমারী থানায় তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, ১৫ জুন বিকাল ৩টা থেকে ১৬ জুন ভোর ৬টার মধ্যে যেকোনো সময়ে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে নন্দিনীকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে একই গ্রামের জাবেদ আলীর ভুট্টাক্ষেতে মাটিতে পুঁতে রাখেন।
লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কে এম হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, ‘শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার রায়ে তার পরিবার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।’
