জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ: ডিবি

দূতাবাস-সরকারি দপ্তরে চাঁদার দাবিতে হুমকি

জড়িতদের খুঁজছে পুলিশ: ডিবি

ফন্ট সাইজ:

চাঁদার দাবিতে ঢাকাস্থ চায়না, পাকিস্তান, তুরস্কসহ বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ৩/৪ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তেমন কোনো সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। পুলিশের দাবি- ভুয়া গ্রুপ দেশের ইমেজ নষ্ট করতে এবং সরকারকে বিব্রত করার জন্য এটি করছে। তবে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে ঘটনাটি তদন্ত করছে। রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

ডিবি প্রধান বলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই গ্রুপ কাজ করছে। এটা একটা ভুয়া গ্রুপ। ই-মেইলে যেসব বিকাশ নাম্বার দেয়া হয়েছে, তাদের তিন-চারজনকে আমরা নিয়ে এসেছিলাম জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কিন্তু তারা কিছুই জানে না।তারা সম্পূর্ণ নির্দোষ। এ ব্যাপারে তারা কোনো কিছুই জানে না।
'কয়টি দূতাবাসে হুমকি দেয়া হয়েছে' এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিন-চারটি দূতাবাস এবং আমাদের কয়েকটি সরকারি দপ্তরেও ই-মেইল দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ধারণা এটা পূর্ব শত্রুতা বা দেশের ইমেজকে নষ্ট করার জন্য করা হয়েছে। সরকারে বিব্রত করা জন্য করা হতে পারে। ' এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। যে কোনো ঘটনা ঘটলেই সেটা আমরা গুরুত্বে সঙ্গে দেখি। আমরা আশাবাদী যে, এটা আমরা উদঘাটন করব। যারা আছেন, তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

কোন কোন দূতাবাসে হুমকি দেয়া হয়েছে? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চায়না, পাকিস্তান, তুরষ্কসহ বেশ কয়েকটি দূতাবাসে এই হুমকি দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা পুরো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

এদিকে, রাজধানীর কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির ঘটনায় পুরো কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বারিধারা ও গুলশানে অবস্থিত দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চীনা দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দফতরকে বিষয়টি জানিয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের মাধ্যমে কাউন্টার টেরোরিজম বিষয়টি তদন্ত করছে।