আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটারএইড, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ডা. খায়রুল ইসলাম আর নেই। শুক্রবার ভোরে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) তার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ওয়াটারএইডের কো–অর্ডিনেটর (কমিউনিকেশনস) প্লাবন গঙ্গোপাধ্যায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই খায়রুল ইসলাম হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক খায়রুল ইসলাম স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন নিপসম ও বোস্টন থেকে। তিনি ছিলেন লেখক ও গবেষক। জনস্বাস্থ্য খাত নিয়ে দেশে ও বিদেশ থেকে তার একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিকাশ’ বইটির সম্পাদনা পরিষদের সদস্য এবং প্রদায়ক ছিলেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস প্রকাশিত স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবিষয়ক বই এবং ‘মুজিবপিডিয়া’য় স্বাস্থ্য খাতের প্রদায়ক ছিলেন।
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামানের সঙ্গে যৌথভাবে লেখেন প্রথম প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস’ বইটি। দুজনের পাঁচ বছরের গবেষণাকাজ ছিল এ বই। ২০২২ সালে বইটি প্রকাশিত হয়।
খায়রুল ইসলাম বিভিন্ন সময় চিকিৎসা, ওয়াশ খাতসহ সামাজিক নানা বিষয়ে সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন।
ওয়াটারএইডের বাংলাদেশীয় প্রধান হাসিন জাহান তার ফেসবুক পোস্টে জানান, খায়রুল ইসলামের মরদেহ আজ বারডেমের মরচুয়ারিতে নিয়ে যাওয়া হবে। তার প্রবাসী ছেলের দেশে ফেরা পর্যন্ত সেখানেই মরদেহ রাখা হবে।
