বিকল্প থাকার পরও শিল্পের গ্যাস বিদ্যুতে কেন

সহযোগীদের খবর

বিকল্প থাকার পরও শিল্পের গ্যাস বিদ্যুতে কেন

ফন্ট সাইজ:

বিকল্প থাকার পরও শিল্পের গ্যাস বিদ্যুতে কেন। যুগান্তরের শেষের পাতার খবর এটি। এতে বলা হয়, এমনিতেই গ্যাস সংকটে দেশের শত শত শিল্পকারখানা বন্ধের উপক্রম। তারপরও লোডশেডিং সামাল দেওয়ার নামে শিল্প খাতের বরাদ্দ থেকে ২০-২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎ খাতে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শিল্প খাত মারাত্মক সংকটে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, শিল্পকারখানাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পথ আছে। দৈনিক ৫৪ থেকে ৬০ কোটি টাকার ফার্নেস অয়েলের ব্যবহার বাড়ালেই শিল্পের জন্য বরাদ্দ গ্যাস কমানের প্রয়োজন হতো না। দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক হয়। এ সময় এলএনজি কার্গোর অভাবে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল এক সপ্তাহ ধরে অলস বসে থাকার প্রসঙ্গ উঠে আসে। বলা হয়, যে কোনোভাবে এলএনজি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে হবে। প্রয়োজনে সন্ধান করতে হবে এলএনজির একাধিক উৎস।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ীতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল-এফএসআরইউ ও একটি এলপিজি টার্মিনাল এবং পায়রায় একটি এফএসআরইউ বসানোসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানতে চান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে বিশেষ করে ১০ বছরের বিদ্যুতের চাহিদা বিবেচনা করে এখনই পরিকল্পনা নেওয়ার নির্দেশ দেন। বৈঠকে উপস্থিত একজন নীতিনির্ধারক নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুগান্তরকে বলেন, ‘গ্যাস সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই সংকটে শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন তিনি।
এমনিতেই দীর্ঘদিন শিল্প খাত গ্যাস সংকটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন ধরলে সংকট আরও প্রকট হয়। অগ্নিকাণ্ডের কারণে সারা দেশের গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমতে শুরু করে। কিন্তু শত শত শিল্পকারখানা বড় বিপদে পড়ে ১৩ আগস্ট থেকে। ওইদিন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ সিদ্ধান্ত নেয় যে, দৈনিক ৭২ কোটি ঘনফুট থেকে বাড়িয়ে ৯৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হবে; যাতে ভয়াবহ লোডশেডিং কমে আসে। শিল্পকারখানা থেকে কমিয়ে এই গ্যাস দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শত শত শিল্প ১৫ দিন ধরে কারখানা চালানোর মতো গ্যাস পাচ্ছে না।
তিতাস গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজ যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রতিদিন অসংখ্য শিল্পমালিক আমার কাছে অভিযোগ করছেন যে, গ্যাসের অভাবে তারা উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারছেন না। যদিও আমার কাছে আপাতত কোনো সুরাহা নেই।’

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ২১৯ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট। এর মধ্যে সামিট গ্রুপের টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ হয়েছে ৫৭ কোটি ঘনফুট। তিতাস ও পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, এই ২১৯ কোটি ঘনফুটের মধ্যে বিদ্যুতের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৯৫ কোটি ঘনফুট। আর সার কারখানার জন্য ২০ কোটি ঘনফুট। ৮০ থেকে ৮৫ কোটি ঘনফুট শিল্পকারখানার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাকিটা সরবরাহ করা হয় সিএনজি স্টেশন, বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের কাছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ১০ আগস্ট বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস বরাদ্দ ছিল গড়ে ৬৬ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ-পিজিসিবির হিসাব অনুযায়ী ওইদিন সন্ধ্যা ৭টায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৪ হাজার ১৫৭ মেগাওয়াট। ১২ আগস্ট থেকে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়। ওইদিন গ্যাস বরাদ্দ দেওয়া হয় ৭২ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। এই গ্যাস দিয়ে ১২ আগস্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় সর্বনিম্ন ৩ হাজার ৯৫৬ মেগাওয়াট (বিকাল ৪টায়) এবং সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৪২৬ মেগাওয়াট (রাত ৯টায়)।

পেট্রোবাংলা এবং পিডিবির হিসাব অনুযায়ী ১৪ আগস্ট বিদ্যুৎ খাতে ৯৩ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট, ১৭ আগস্ট ৯৩ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুট, ১৮ আগস্ট ৯৩ কোটি ২০ লাখ কোটি এবং ১৯ আগস্ট ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ দেওয়া হয় বিদ্যুৎ খাতে। এই গ্যাস দিয়ে ১৪ আগস্ট সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২০১ মেগাওয়াট (বিকাল ৪টায়), ১৮ আগস্ট সকালে ৫ হাজার ৪২৪ মেগাওয়াট এবং ১৯ আগস্ট ৫ হাজার ২০২ মেগাওয়াট (বিকাল ৫টায়) বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।
অর্থাৎ ২০ থেকে ২২ কোটি ঘনফুট গ্যাস বেশি পেয়ে বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন বেড়েছে মাত্র ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। পিডিবি জানিয়েছে, মূলত বন্ধ আশুগঞ্জ দক্ষিণ ও পূর্ব ইউনিট, শাহজীবাজার ৩৩০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট এবং মেঘনাঘাট কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়া সিরাজগঞ্জসহ কয়েকটি কেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে দেশের বেশির ভাগ ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্রকে (উৎপাদনক্ষমতা ৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি) অলস বসিয়ে রাখা হয়েছে। ১৯ আগস্ট বুধবার রাত ১১টায় ফানের্স অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ১৫৭ মেগাওয়াট। আর বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯৫৯ মেগাওয়াট। পেট্রোবাংলা ও পিডিবির একাধিক কর্মকর্তা জানান, সরকার চাইলে এই আপৎকালীন ফানের্স অয়েল থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ নিতে পারে।

৫০ মেগাওয়াটের একটি কেন্দ্র রাত-দিন চালালে ফার্নেস অয়েল লাগে ২ লাখ ৭২ হাজার লিটার। ২০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের পরিবর্তে ফার্নেস অয়েল দিয়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে ফার্নেস অয়েল লাগবে ৫৪ লাখ ৪০ হাজার লিটার প্রতিদিন। এজন্য সরকারকে প্রতিদিন বাড়তি খরচ করতে হবে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা। কিন্তু সরকার এই টাকা খরচ না করে গ্যাস বিদ্যুৎ খাতে বাড়িয়ে দিয়ে দেশের শিল্পকারখানার ক্ষতি করছে।
এ বিষয়ে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম তামিম যুগান্তরকে বলেন, ‘যদি দৈনিক ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার তেল দিয়ে ১ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যায়, তাহলে সরকারকে এই মুহূর্তে এটাই করা উচিত। কারণ শিল্পকে বাঁচানো দরকার। তা না হলে দেশের অর্থনীতির বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।’

সমকালের শিরোনাম ‘সরকারি দামে মিলছে না সার, বস্তাপ্রতি বাড়তি ৬০০ টাকা’। এতে বলা হয়, চলতি আমন মৌসুমে জয়পুরহাট ও মেহেরপুরে সারের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জয়পুরহাটে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সারের দাম নেওয়া হচ্ছে আকাশচুম্বী। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে মেহেরপুরে দেখা দিয়েছে টিএসপি সারের ব্যাপক সংকট। রসিদ ছাড়াই ইচ্ছেমতো চড়া দামে সার বেচাকেনা করছে স্থানীয় সিন্ডিকেট। এভাবে বাড়তি দামে সার কিনে আবাদের উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জয়পুরহাটে ৭০ হাজার ৯৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৯৭ ভাগ জমিতে রোপণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ধানক্ষেতের পরিচর্যায় নেমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি হাঁকাচ্ছেন।

চাষিরা জানান, ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া সারের সরকার নির্ধারিত দাম এক হাজার ৩৫০ টাকা। অথচ খুচরা ডিলারদের কাছ থেকে কৃষকদের কিনতে হচ্ছে এক হাজার ৯০০ টাকা থেকে এক হাজার ৯৫০ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে এক হাজার ৩৫০ টাকার টিএসপি সার বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৯০০ থেকে দুই হাজার টাকায়। এক হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সার এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা এবং এক হাজার ৫০ টাকার এমওপি সার বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ টাকায়।
খুলনা মহানগরীতে প্রতি মাসেই খুন। ইত্তেফাকের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম । এতে বলা হয়, খুলনা মহানগরীতে গত ২০ মাসে ৬১ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে, শুধুমাত্র চলতি বছরের গত আট মাসে গুলিতে নিহত হয়েছেন ৯ জন। অর্থাত্ প্রতি মাসেই দুর্বৃত্তদের গুলিতে গড়ে এক জন নিহত হচ্ছে। নিহতদের অধিকাংশেরই বয়স ১৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। গুলির পাশাপাশি অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার সন্ধ্যার পর মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে ৩০০ গজ দূরত্বের মধ্যে নগরীর লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকায় মঞ্জুরুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম নামে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। যাদের দুজনের বয়সই মাত্র ১৮ বছর।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় খুলনা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই ভেঙে পড়ে। এ সময় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিষ্ক্রিয় থাকার কারণে রনী চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর নেতৃত্বাধীন বি কোম্পানি, নূর আজিম, আশিক, পলাশ, গজাল ইমাম ওরফে ইমন ও এক সময়ের শীর্ষ চরমপন্থি নেতা ক্রসফায়ারে নিহত শৈলেনের ভাতিজা সুজনের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ নগরীর আন্ডার ওয়ার্ল্ড ও অবৈধ মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করার লড়াইয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে লিপ্ত হয়। এছাড়া নগরীর টুটুপাড়া ও লবণচরা থানার আশিবিঘাসহ আশপাশ এলাকায় রয়েছে আরো কয়েকটি কিশোর গ্যাং। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভেঙে পড়া খুলনা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশসহ সরকারি প্রশাসন। যার সুযোগ নিচ্ছে সন্ত্রাসীরা। পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, বর্তমানে খুলনা মহানগরীতে পুলিশের খুলনা মহানগরীতে তালিকাভুক্ত ১৫ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী রয়েছে। এদের মধ্যে বর্তমানে পলাশ, নূর আজিম ও গজাল ইমাম ওরফে ইমন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছে।

সূত্রমতে, পলাশের সহযোগীরা বর্তমানে ৪-৫ ভাগে বিভক্ত। মূলত এসব গ্রুপের স্থানীয়ভাবে প্রভাব বিস্তার, মাদক ব্যবসার প্রসার ও নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই হত্যাকাণ্ডের মতো নৃশংস ঘটনা ঘটছে।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম -মির্জা ফখরুল ২৩তম রাষ্ট্রপতি। খবরে বলা হয়, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে সরাসরি ভোটগ্রহণের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন ক্ষমতাসীন বিএনপি জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রদত্ত মোট ৩৪৩ ভোটের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ২৫৫ ভোট।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনী ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ করবেন ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশনকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে মোট ভোটারসংখ্যা ছিল ৩৪৯। এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট এবং অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন। প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল অনুযায়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান তিনি।
পরে নির্বাচন ভবনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকেই (বৃহস্পতিবার) ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’ সে অনুসারে গত রাতেই এই গেজেট প্রকাশ হয়।

এদিকে সংসদের অধিবেশনকক্ষে ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা করতালি দিয়ে ও টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের শিরোনাম - বিশ্বব্যাপী ডিজেল সরবরাহ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। খবরে বলা হয়, ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান জ্বালানি ‘ডিজেল’-এর সরবরাহ বিশ্বব্যাপী ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ডিজেলের বাজার এতই সংকুচিত হয়ে পড়েছে যে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ-উভয় অঞ্চলেই ‘ডিজেল ক্রাক স্প্রেড’ (অর্থাৎ এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং তা থেকে পরিশোধিত ডিজেলের মূল্যের মধ্যকার পার্থক্য) ব্যারেলপ্রতি রেকর্ড ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল রপ্তানিও ৫০ শতাংশ কমেছে। বিশ্বব্যাপী মজুতকারীদের কাছে ডিজেলের মজুতও কমে আসছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, আসছে শীত মৌসুমের আগে অর্থাৎ শরতে এবার ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাবে। যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের বাজারেও। কারণ সরকারের আমদানীকৃত তেলের মধ্যে ৭০ শতাংশই ডিজেল। আর এমনটি হলে দেশের পরিবহন খাত, পণ্য বহনকারীসহ সব খাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। যা মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। জ্বালানিবিষয়ক স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক জার্নাল অয়েলপ্রাইস ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের অস্থিরতার কারণে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় গত কয়েক মাসে চরম বিঘ্ন ঘটার পরও জ্বালানি তেলের বাজার এই সময়ে বড় দাগে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠেনি, বরং এ বাজার এক ধরনের নিশ্চিন্ত ভাব বজায় রেখেছে। এমনকি ছয় মাস ধরে যখন হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকার চলাচল যুদ্ধের আগের তুলনায় একেবারেই কমে এসেছে, তখনো অপরিশোধিত তেলের ফিউচার প্রাইস খুব কমই ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের গতি অতিক্রম করেছে। সূত্রের তথ্যানুযায়ী, ভবিষ্যতে অপরিশোধিত তেলের দাম কেমন হবে- তা নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে বাজারের সংশ্লিষ্টরা সংঘাতের অবসানের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করলেও বাস্তবে ডিজেলের সরবরাহ সংকুচিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ডিজেলের বাজার এতটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে যে, এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ-উভয় অঞ্চলেই ‘ডিজেল ক্রাক স্প্রেড’ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সূত্র বলছে, অপরিশোধিত তেলের বাজার থেকে স্বল্পমেয়াদি সরবরাহ নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশার বিষয়টি বোঝা গেলেও ডিজেলের বাজারগুলো এই পেট্রোলিয়াম পণ্যটির বাস্তব ও তীব্র ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত চলতি বছরে ডিজেলের চাহিদা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল কিন্তু ডিজেলের প্রাপ্যতা ও দাম অর্থনীতি এবং মুদ্রাস্ফীতিকে সরাসরি প্রভাবিত করে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ‘ডিজেল ক্রাক ¯েপ্রড’ (অপরিশোধিত তেল ও ডিজেলের মূল্যের পার্থক্য) এ সপ্তাহে প্রথমবারের মতো তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছে। গত সোমবার অপরিশোধিত তেলের মূল্যের তুলনায় ডিজেলের বাড়তি দর ব্যারেলপ্রতি সর্বোচ্চ ১০২ ডলারে উঠে গিয়েছিল। তবে গত মঙ্গলবার তা কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারে নেমে আসে। ‘ভর্টেক্সা’-এর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল ও গ্যাস-অয়েল রপ্তানি ৫০ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে।
প্রথম আলোর শিরোনাম ‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়বে কি’। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। সরকারের সব নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে নেওয়া হলেও রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতা খুবই সীমিত। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতিকে অন্য যেকোনো কাজ করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী। জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কিছুটা বাড়ত।

রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানো এবং কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব ছিল জুলাই সনদে। তবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসেও সেই সনদ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাও বাড়েনি।
অবশ্য ক্ষমতাসীন বিএনপি বলেছে, যেভাবে জুলাই জাতীয় সনদ সই হয়েছে, তারা সেভাবে বাস্তবায়ন করবে; সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করবে। শেষ পর্যন্ত এটি হলে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন—এই চার প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা পাবেন রাষ্ট্রপতি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ওই বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ’ ও ‘রাষ্ট্র সংস্কার’। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার আনার লক্ষ্যে প্রস্তাব তৈরি করতে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পরে কমিশনগুলোর প্রস্তাবগুলো নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে তৈরি করা হয় জুলাই জাতীয় সনদ। যেখানে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব স্থান পায়। এর মধ্যে সংবিধান–সম্পর্কিত প্রস্তাব আছে ৪৮টি। সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব স্থান পেয়েছে। অবশ্য কিছু প্রস্তাবে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত আছে।

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম ‘এআই ক্যামেরার জাদু এবার মহাসড়কে ফিরছে শৃঙ্খলা’। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত ঢাকা - চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ( এআই ) প্রযুক্তির ক্যামেরা চালুর প্রথম দিন গত মঙ্গলবার ৪৪৬ টি মামলা হয়েছিল । দ্বিতীয় দিন বুধবার মামলা হয়েছে মাত্র ৪২ টি । অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানেই মামলা কমে নেমে এসেছে দশ ভাগের এক ভাগে । অতিরিক্ত গতি ও উল্টো পথে গাড়ি চালানো — এই দুই কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই মামলাগুলো হয়েছে । এর ভিত্তিতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরা নিয়ে আশাবাদী হচ্ছেন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা । পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলছে , মহাসড়কে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করার ফলে চালকদের মধ্যে শৃঙ্খলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে ।

জানতে চাইলে হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস) মুনতাসিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন , “ আইন মেনে চলার প্রবণতা ও দুর্ঘটনা কমছে কি না , তা নির্দিষ্ট সময় পরপর মূল্যায়ন করা হবে । এরই মধ্যে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে । এআই ক্যামেরার উদ্যোগটি সফল হবে বলে আশা করি । ’ মুনতাসিরুল ইসলাম আরও বলেন , ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ শনাক্ত করে মামলা হওয়ায় এতে মানুষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই । মামলা অটোমেটিক হচ্ছে , অটোমেটিক মোবাইলে মেসেজ চলে যাচ্ছে । আপনাকে সেটা পে করতে হচ্ছে । মামলা এড়ানোর কোনো রাস্তা থাকবে না।’

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে হবে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দিতে যাচ্ছে সরকার। এই পদ্ধতিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্যোক্তা নিজেই কেন্দ্র নির্মাণ করবেন এবং বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগে শিল্পোদ্যোক্তারা সরকারি ব্যবস্থাপনার চেয়ে কম দামে বিদ্যুৎ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বা মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টের এই ধারণা দেশে নতুন নয়। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগ ছিল জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য। তখন সেই উদ্যোগ সফল হয়নি। কেউ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে শেষ পর্যন্ত সফল হননি। তখন চট্টগ্রামের একটি বড় রি-রোলিং ও স্টিল মিলকে একটি ৪০০ মেগাওয়াটের কয়লাচালিত কেন্দ্র নির্মাণের অনুমতিও দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তারা কেন্দ্রটি আর নির্মাণ করেনি। অথচ তাদের নিজেদেরই প্রতিদিনের চাহিদা ছিল ২০০ মেগাওয়াটের বেশি।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কেন্দ্র নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ বিক্রি করবেন উদ্যোক্তা নিজেই। আমরা কেবল বিদ্যুতের সঞ্চালন এবং বিতরণের চার্জ নির্ধারণ করে দেব। এ ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের নিশ্চয়তা না থাকলেও সাশ্রয়ী হওয়ায় উদ্যোক্তারা আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তিনি।

জালাল আহমেদ বলেন, এখনো গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেওয়ার পর লোডশেডিংয়ের সময় গ্যাস বা তেল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে চাহিদা মেটানো হয়।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার শিরোনাম ‘পুরনো গ্যাস ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনা।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসসঙ্কট মোকাবেলায় পুরনো গ্যাসত্রেগুলোর গভীর স্তরে নতুন গ্যাসের সন্ধানে জোরালো অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। প্রচলিত উৎপাদনশীল স্তরের নিচে সম্ভাব্য গ্যাসাধার খুঁজে বের করতে নেয়া হচ্ছে গভীর ও উচ্চঝুঁকির কূপখননের উদ্যোগ। এেে ত্র সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভূগর্ভের উচ্চচাপ ও উচ্চতাপমাত্রার অঞ্চল। এসব স্তর নিরাপদে অতিক্রম করে সম্ভাব্য গ্যাসসমৃদ্ধ আধারে পৌঁছাতে প্রয়োজন হবে বিশেষায়িত প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও কঠোর চাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা।
পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গভীর গ্যাস অনুসন্ধানের পরিকল্পনায় অন্তত চারটি কূপ- তিতাস-৩১, বাখরাবাদ-১১, শ্রীকাইল-১ ও মোবারকপুর-১-বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এসব কূপের ল্য প্রচলিত গভীরতার নিচে গিয়ে সম্ভাব্য গ্যাসস্তর পরীা করা। এর মধ্যে তিতাস-৩১ সবচেয়ে বড় কারিগরি চ্যালেঞ্জের উদাহরণ। কূপটির ল্য গভীরতা প্রায় পাঁচ হাজার ৬০০ মিটার বা ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার। প্রায় তিন হাজার ৭৫০ মিটার গভীরতার পর উচ্চচাপের সম্ভাব্য অঞ্চলে প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।