ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করছে সরকার: মাহ্দী আমিন

ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করছে সরকার: মাহ্দী আমিন

ফন্ট সাইজ:

দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ পরবর্তী ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে যে বাংলাদেশকে সরকার নতুন করে পুনর্গঠন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং’ আয়োজিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ‘১৮০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন মাহ্দী আমিন বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে যে বাংলাদেশকে আমরা নতুন করে পুনর্গঠন করছি, সেখানে মাত্র ছয় মাসে সব সমস্যার শতভাগ সমাধান করে ফেলা হয়ত কিছুটা দুরূহ, তবে একটি বিষয় আজ নিশ্চিতভাবে বলা যায়, প্রতিটি ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই নির্বাচিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকারের রয়েছে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীলতা।

আমরা সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, মানবিক, নিরাপদ, মেধাভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের ক্ষমতার একমাত্র উৎস জনগণ, অনুপ্রেরণার উৎস জনগণ এবং এই সরকার প্রকৃত অর্থেই জনগণের সরকার।

এসময় সরকারের ১৮০ দিনে গণমুখী ও বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞের ১০টি দিক তুলেন মাহ্দী আমিন।

সেগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হল- অভূতপূর্ব জনসমর্থন: বিগত ছয় মাসে আমাদের সবচেয়ে বড় ও লক্ষণীয় অর্জন হলো, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব ও অবিচল জনসমর্থন। ২০১৪ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচন, ২০১৮ সালের নিশি রাতের ভোট এবং ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনের দীর্ঘ অচলাবস্থা পেরিয়ে দেশের মানুষ অবশেষে নিজেদের পছন্দের দলকে ও প্রার্থীকে মুক্তভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। ফলে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আজ এমন এক সরকার অধিষ্ঠিত হয়েছে, যার ক্ষমতার একমাত্র উৎস দেশের জনগণ।

নির্বাচনি প্রচারণা থেকে শুরু করে দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ছয় মাসে সরকারের প্রতিটি জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই জনতার ঢল নেমেছে। মানুষের এই অটুট আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসাকে ধারণ করেই সরকার প্রতিটি পদক্ষেপে দেশ ও জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় স্বাতন্ত্র্য হলো, নির্বাচনি ইশতেহারকে নিছক কথার কথা না রেখে, সেখানে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে।

সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ: এই ছয় মাসে সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কীভাবে সরকারের প্রতিটি কার্যক্রমে প্রতিফলিত হয়েছে। আজকের এই সরকারের পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। ফ্যাসিবাদবিরোধী দেড় দশকের সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, যেখানে গুম, খুন, হামলা, মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন পেরিয়ে বাংলাদেশের সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্বে রাজপথে ছিল। সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আমরা দেখেছি, প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষ এবং সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল এক হয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় জনমানুষের আকাক্সক্ষা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে মানবাধিকার থাকবে, বাকস্বাধীনতা থাকবে এবং আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে। সরকারের কার্যক্রমে আমরা ঠিক সেটিরই প্রতিফলন দেখেছি। গত ছয় মাসে বাকস্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানদণ্ড বজায় রাখার দৃষ্টান্ত আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, যেখানে একটিবারের জন্যও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি।

ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য কীভাবে নিরলস কাজ করে যাওয়া হয়েছে। এর মূল কারণ, এই ইশতেহারের ভিত্তির ভেতরে রয়েছে বিএনপির সুদৃঢ় রাজনৈতিক দর্শন। এই ইশতেহারেই আমরা প্রতিফলিত হতে দেখেছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ১৯ দফা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সেই ‘ভিশন ২০৩০’, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রণীত বিএনপির ২৭ দফা এবং যুগপৎ আন্দোলনের শরিক সকল রাজনৈতিক দলকে এক কাতারে নিয়ে আসা সেই ৩১ দফা। সুতরাং ঐতিহাসিক ১৯ দফা, ভিশন ২০৩০, ২৭ দফা ও ৩১ দফা, এই চারটি মৌলিক বিষয় এবং নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে সারা বাংলাদেশ জুড়ে সর্বস্তরের মানুষের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত ইশতেহারের আলোকেই আজ দেশ পরিচালিত হচ্ছে। ঠিক যেভাবে নোট অব ডিসেন্টসহ বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল, ঠিক সে অনুযায়ী যার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন হবে বলে প্রধানমন্ত্রী মহান সংসদে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কৃষকদের ক্ষমতায়নের জন্য কৃষক কার্ড, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসীদের অধিকার ও সহায়তায় প্রবাসী কার্ড, এবং দেশজুড়ে প্রতিটি জেলা পর্যায়ে অ্যামপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমরা দেখেছি ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক ও বৌদ্ধ অধ্যক্ষদের জন্য সম্মানী প্রদান এবং দেশজুড়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সরকার গঠনের পর দ্রুততম সময়ে এসব কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনটি প্রি-ফেজ বা প্রি-ট্রায়াল, কোনটি ট্রায়াল আবার কোনটি ফেজ-১ আকারে শুরু হলেও প্রতিটি ফ্ল্যাগশিপ বা সিগনেচার প্রোগ্রাম সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে; যার মাধ্যমে গণমানুষের ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য: সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আমরা দেখেছি একটি অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কারণ, দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ এমন একটি রাষ্ট্রকাঠামো রেখে গিয়েছিল, যা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। আমরা দেখেছি, দায়িত্ব গ্রহণের পরই পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। সরকার গঠনের অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় যাতে কোনো সিন্ডিকেট গড়ে উঠতে না পারে এবং কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না পায়, সে বিষয়ে কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল।

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, সকল শ্রেণি পেশার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন: এই ছয় মাসে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, যেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন নিশ্চিত করা হয়েছে। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেখলেই বোঝা যাবে, ইশতেহারের বাইরে গিয়েও সরকার কীভাবে মানুষের জন্য কাজ করেছে। অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ফ্যাসিবাদের সরকার লোপাট করে দিয়েছিল। যার ফলে, ২০২২ সালের পর থেকে বিগত চার বছর ধরে আমাদের সম্মানিত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা তাঁদের অবসর ও কল্যাণের ন্যায্য টাকা পাননি। বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে অর্থের সংস্থান করে দেন। এই তো মাত্র দুই দিন আগে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ২ হাজার কোটি টাকার চেক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়ে আমরা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে তুলে দিয়েছি। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনে এভাবেই প্রতিটি সেক্টরে যখনই যেখানে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, আমরা গভীর উপলব্ধির মাধ্যমে তা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আর্থিক খাতে সংস্কার: সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর যে ভেঙে পড়া অর্থনৈতিক কাঠামো পেয়েছিল, সেখানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে। যার প্রতিফলন আমরা দেখেছি একটি জনবান্ধব বাজেটে, যেখানে ব্যাবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে, যেখানে প্রয়োজন সেখানে কর হ্রাস করা হয়েছে, আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রেড ও ব্যাবসার লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সহজতর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ভেঙে পড়া অর্থনৈতিক কাঠামোর মতো, ঠিক একইভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতেও একটি অত্যন্ত নাজুক অবস্থা পেয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকে আমরা দেখেছি, প্রথমবারের মতো উত্তরণের মাধ্যমে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের ধারাবাহিকতা সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক হয়রানিমুক্ত, জনবান্ধব ও সেবাধর্মী পুলিশ ও প্রশাসন তৈরি করা হয়েছে। আজ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে যেখানে পুলিশ, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর সাধারণ মানুষ পূর্ণ আস্থা ফিরে পাচ্ছেন, মানুষ কোনো সমস্যা নিয়ে গেলে তাৎক্ষণিক সমাধান ও আইনি প্রতিকার পাচ্ছেন। এরপরও বিভিন্ন অপশক্তির ষড়যন্ত্র এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ সর্বোচ্চ সজাগ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

অবকাঠামো, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন: বাংলাদেশে যানজটের যে সমস্যা রয়েছে, তা নিরসনে পর্যায়ক্রমে এআই ট্র্যাফিক সিস্টেমের পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। নারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে তাঁদের প্রাধান্য দিয়ে খুব শীঘ্রই আলাদা পিংক বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করা হচ্ছে। ঢাকার রাজপথে ২০০টি ইলেকট্রিক বাস নামানো এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে তাল মিলিয়ে যানবাহনের ক্ষেত্রে ইলেকট্রিফিকেশন কীভাবে বাড়ানো যায়, সে ধরনের কার্যকর উদ্যোগ চালু রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি: বিএনপির নির্বাচিত সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল মন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে সমতা, ন্যায্যতা এবং মর্যাদা। এই ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রগুলোতে সম্পর্ক এমনভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে বিদেশি অংশীদারেরা কেবল আমদানি-রপ্তানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে আমাদের দেশে বড় আকারের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে পারেন। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সরকারের নানামুখী কার্যকর উদ্যোগ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বতন্ত্র ভিন্নমাত্রিক নেতৃত্ব: এই বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে তথাকথিত ভিআইপি সংস্কৃতি সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়ে সাধারণ মানুষের মতো করে সাধারণ মানুষের কাতারে নেমে এসেছেন। আমরা দেখেছি, তিনি বারবার তৃণমূলের মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন, কোদাল হাতে নিয়ে খাল খনন কর্মসূচিতে নেমে পড়ছেন, স্কুলের কোমলমতি শিশুদের পরম স্নেহে কোলে তুলে নিচ্ছেন। আমরা প্রত্যক্ষ করেছি তার অত্যন্ত সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনাচার। সামগ্রিকভাবে দীর্ঘদিন পর আজ আমরা এমন একটি সরকার পেয়েছি, যাকে দেশের প্রতিটি মানুষ গভীর আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসা দিয়ে হৃদয়ে ধারণ করে।