রমজান মাসে ত্বকের যত্নে মূলত কি ধরনের খাদ্যাভাস গ্রহন করা উচিত?

রমজান মাসে ত্বকের যত্নে মূলত কি ধরনের খাদ্যাভাস গ্রহন করা উচিত?

ফন্ট সাইজ:

রমজান মাস একটি পবিত্র মাস। মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা এ মাসে সুর্যোদয় থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকে। দীর্ঘ সময় দেহে পানিশূন্যতার কারনে ত্বক শুস্ক হওয়ায় পাশাপাশি, উজ্জ্বলতাও হারায়।চোখের চারপাশেও কালো দাগ দৃশ্যমান হয়। পবিত্র রমজান মাসে, ত্বকের যত্নে সঠিক খাদ্যাভাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

১. এ মাসে খাবার খাওয়া উচিত স্বাভাবিকের থেকে পরিমানে কম কিন্তু খাদ্য তালিকার প্রধান উপাদানগুলি সহ সুষম খাবার হতে হবে।
২. ⁠কিছু ফলমূল আছে যেমন খেজুর, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, এগুলোতে প্রচুর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আছে, এগুলো ত্বক ভালো রাখে, এজন্য ইফতারে খাওয়া উচিত।
৩. ⁠রমজান মাসে রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতার থেকে শুরু করে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি (ছয় থেকে আট গ্লাস) পান করা উচিত। একবারে বেশী পানি পান না করে, দুই এক ঘন্টা পর পর পরিমিত পরিমানে পানি পান করা উচিত। পানি ছাড়াও পানি জাতীয় খাবার যেমন শরবত, ডাবের পানি, ফলের রস, দুধ এবং স্যুপ জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। এগুলো ত্বককে পানি শূন্য হতে বাধা দেয়।

৪. ⁠ইফতারে কাজুবাদাম বা নাট জাতীয় খাবার থাকা উচিত। কারন এসব খাবারে প্রচুর আমিষ, ফ্যাটি এ্যাসিড এবং ফাইবার থাকে, যা শুস্ক ত্বক রিপিয়ার এ সাহায্য করে এবং ত্বকের গ্লো বা উজ্জ্বলতা মেইনটেইন করে
৫. ⁠ইফতারে তরমুজ, পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আংগুর, কলা, এভোকাডো, শশা, গাজর, লেবু, মধু, দই, ছোলা থাকা উচিত। কারন এসব খাবার শুস্ক ত্বক রিপিয়ার এ সাহায্য করে এবং ত্বকের গ্লো বা উজ্জ্বলতা মেইনটেইন করে।
৬. ⁠ইফতারের পর থেকে সেহেরির মধ্যবর্তী সময় ক্যাফেইন সমৃদ্ধ ড্রিংক্স যেমন চা, কফি কম খাওয়া উচিত, এগুলো অধিক ইউরিন তৈরীর মাধ্যমে, দিনের বেলায় শরীরে বেশী পানিশূন্যতা তৈরী করে।

৭. ⁠রমজান মাসে রোজাদার ব্যক্তিদের রাতের খাবারে আমিষসমৃদ্ধ খাবার যেমন মুরগির মাংস, মাছ বা ডিমের সাথে টমেটো, ব্রকলি, দই, লেবু থাকা উচিত, এই খাবারগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

লেখক
ডা. লুবনা খন্দকার
সহযোগী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ
চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর ১০, ঢাকা।
হটলাইন: ১০৬৭২, ০৯৬১০১০০৯৯৯

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন