আমদানিকারক সিন্ডিকেটে কীটনাশক খাত, নানা বাধায় দেশীয় উৎপাদকরা

আমদানিকারক সিন্ডিকেটে কীটনাশক খাত, নানা বাধায় দেশীয় উৎপাদকরা

ফন্ট সাইজ:

দেশের কৃষির ফসলের সুরক্ষা ও উৎপাদনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বালাইনাশক বা কীটনাশক। বেশি ফলনের জন্য আগাছা নিধন এবং কীট-পতঙ্গ নিধনে জমিতে ও ফসলে প্রয়োগ করা হয় কীটনাশক। সরকারি হিসাবে বছরে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টন কীটনাশক আমদানি হচ্ছে। অথচ এই কৃষির কীটনাশক দেশেই উৎপাদন করার সুযোগ থাকলেও আমদানিকারদের বাধা ও সিন্ডিকেটের কারণে এর বিকাশ ঘটছে না। বলা যায়, আমদানিকারদের হাতে জিম্মি দেশের কৃষি কীটনাশক খাত।

এদিকে দেশের কীটনাশক আমদানিকারকরা আমদানির ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম-নীতিরও তোয়াক্কা করছেন না। মনাহীন ও নিম্নমানের কীটনাশক আমদানির কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। উৎপাদনের বাধা দূর করা গেলে দেশেই উৎপাদন ও কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা সম্ভব। বিশেষ করে কীটানশক বা বলাইনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে ‘সিঙ্গেল কান্ট্রি, সিঙ্গেল সোর্স’ আরোপ করে দেয়া সাত বছরের পুরোনো একটি নীতি বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করছে এবং সুষ্ঠু প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। শুধু তাই নয়, এই আইন লঙ্ঘনের ফলে অন্যান্য উৎপাদকারীর কাছ থেকে প্রতিযোগীতামূলক দামে কাঁচামাল আমদানি করার কোনো সুযোগও থাকছে না। এতে এক দিকে গুটিকয়েক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাজার সিন্ডিকেট করে বেশি দামে কীটনাশক বিক্রি করছে, অন্য দিকে যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়া নিম্ন মানের কীটনাশক বাজারে ছাড়ায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক ও দেশের কৃষি।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ও দেশীও উদ্যোক্তারা বলছেন, কৃষি ও কৃষকের মঙ্গলের জন্য কীটনাশক আমদানিকারকদের দৌরাত্ম্য থামানো দরকার। কেননা তারা নিম্ন মানের কীটনাশক দেদারছে আমদানি করে দেশের কৃষি ও কৃষকের ক্ষতি করছে নানা রকমভাবে। শুধু তাই নয়, দেশে যাতে কীটনাশক শিল্পের বিকাশ না ঘটে তার জন্যও পদে পদে তারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

এ বিষয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাদের দেশে অসংখ্য আমদানিকারক কীটনাশক আমদানি করছে যুগের পর যুগ ধরে। কৃষিতে যে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়, তার সিংহভাগই আমদানি করা হয়। এতে বছরে মোটা অংকের টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। কিন্তু দেশেও এখনো কীটনাশক তৈরি পর্যাপ্ত না হওয়ায় আমদানিরও বিকল্প নেই। দেশে যদি কীটনাশক শিল্পের বিকাশ ঘটে তাহলে হয়তো আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অনেক রকম প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেগুলো দূর করা দরকার।’

এদিকে দেশে যেসব প্রতিষ্ঠান কীটনাশক উৎপাদন করছে তারা চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দেশে কীটনাশক উৎপাদনকারী শিল্প মালিকদের একটি সংগঠনও আছে। যার নাম-বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যালস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (বামা)। আমদানিকারকরা এখন উৎপাদনকারীদের এই সংগঠন যাতে না থাকে তার জন্যও মাঠে নেমেছে। এ লক্ষ্যে আমদানিকারকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন এসোসিয়েশন’ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যালস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশনের টিও লাইসেন্স বাতিলের জন্য বারবার মীমাংসিত বিষয় নিয়ে আপিল শুনানি করেছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অনৈতিক বলে মনে করছেন বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যালস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশনের নেতারা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যালস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘কীটনাশক আমদানিকারকরা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমাদের সংগঠনের লাইসেন্স বাতিলের আবেদন করেছে। এ পর্যন্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ৪ বার শুনানি হয়েছে এবং প্রতিবার শুনানি বলা হয়েছে যে আমদানি ও উৎপাদন পরস্পর বিরোধী বাণিজ্য তাই উৎপাদন কারীদের টিও লাইসেন্স বাতিল করার সুযোগ নাই। যিনি অভিযোগ করছেন তিনি তো কখনও উৎপাদনের জন্য অবকাঠামো করেননি এবং যুগ যুগ ধরেই আমদানি করছে তিনি কেনো উৎপাদন কারি সংগঠন কে সমর্থন করবেন? আসলে তারা যুগের পর যুগ নিম্ন মানের কীটনাশক আমদানি করে দেশের কৃষির ক্ষতি করছে চরমভাবে। শুধু তাই নয়, হাজার হাজার টন কীটনাশক আমদানির ফলে দেশের অর্থ বাইরে চলে যাচ্ছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ফুলেফেঁপে উঠছে। তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য ঠেকাতে এবং দেশের কৃষকের হাতে ভালোমানের ও ভেজালমুক্ত কীটনাশক তুলে দিতেই আমরা দেশে কীটনাশক তৈরির কারখানা স্থাপান করেছি। কিন্তু আমদানিকরাকরা তাদের নিজস্ব স্বার্থে আমরা যারা দেশীয় উদ্যোক্তা তাদের নানাভাবে বাধা দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তারা আমাদের সংগঠনের লাইসেন্স বাতিলের আবদেন করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি ।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন এসোসিয়েশনের নেতৃত্বে যারা থাকেন এবং যুগের পর যুগ তারা কীটনাশক আমদানি করছেন। এই আমদানিকারকরাই যদি সংগঠনের নেতৃত্বে থাকে তাহলে তিনি কিভাবে কীটনশাক উৎপাদনের ব্যাপারে নীতি-সহায়তা দেবে। তাহলে বামা বিলুপ্ত করে কিভাবে আমদানিকারকদের সংগঠনের সঙ্গে একত্রে থাকতে পারে। সেই বিবেচনাতেই উৎপাদনকারীদের আলাদা সংগঠন বামার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। দুটি সংগঠনই যদি একসঙ্গে থাকে এবং এক সংগঠন যদি আরেক সংগঠনকে বাতিলের কথা বলে-তাহলে সেটা কতোটা যৌক্তিক। যিনি আমদানিকারক তিনি তো তার নিজের ব্যবসার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে উৎপাদনকারীদের সুযোগ করে দেবে না। যেহেতু আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীদের আলাদা আলাদা সংগঠন আছে এবং দুই সংগঠনের নেতারাই যদি সরকারের নীতিনির্ধারণী কমিটিতে থাকতে পারে ধীরে ধীরে যার উৎপাদনে যাওয়ার ইচ্ছা সে উৎপাদনে যাবে। রাষ্ট্র উৎপাদন ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা করে রাখবে তাহলে আমদানীকরাকরাও এক সময় উৎপাদনকারী হতে পারবে।
অবশ্য বামার টিও সার্টিফকেট বাতিলের আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বামার টিও লাইসেন্স বাতিলের আবেদন দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি, বিষয়টি পর্যালোচনা চলছে। উভয় পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বা শুনানি করে তার পর হয়তো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

কীটনাশক আমদানিতে মানা হচ্ছে না আইন
এদিকে দেশের কীটনাশক আমদানিকারকরা আমদানির ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না। বিশেষ করে কীটানশক বা বলাইনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে ‘সিঙ্গেল কান্ট্রি, সিঙ্গেল সোর্স’ আরোপ করে উৎপাদনে বড় বাধা দেয়া হয়েছিলো। বামা এর ৫ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল সিঙ্গেল কান্ট্রি সিঙ্গেল সোর্স বাতিল করে সোর্স উন্মুক্ত করার। পরবর্তীতে সিঙ্গেল সোর্স এর পরিবর্তে আরও একটি সোর্স সংযুক্ত করার অনুমোদন দেয়া হয় যা আমদানি আদেশ ও ডাব্লিউটিও বাণিজ্য নীতির পরিপন্থী এবং উৎপাদনকারীর পক্ষে না আমদানিরকারীর পক্ষে কাজ করেছে। সাত বছরের পুরোনো একটি নীতি বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করছে এবং সুষ্ঠু প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। শুধু তাই নয়, এই আইন লঙ্ঘনের ফলে অন্যান্য উৎপাদকারীর কাছ থেকে প্রতিযোগীতামূলক দামে কাঁচামাল আমদানি করার কোনো সুযোগও থাকছে না। এতে একদিকে গুটিকয়েক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাজার সিন্ডিকেট করে বেশি দামে কীটনাশক বিক্রি করছে, অন্য দিকে যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়া নিম্ন মানের কীটনাশক বাজারে ছাড়ায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক ও দেশের কৃষি।

এদিকে আমদানিকারকদের এ ধরনের আইন বিরোধী কাজের বিষয়টি উল্লেখ করে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যালস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন (বামা)। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২২ জুলাই এ শুনানি কমিশনের শুনানি থাকার কথা থাকলেও সেটি পেছানো হয়েছে।
সমিতির অভিযোগ, পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির (পিটিএসি) সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ২০১৮ সাল থেকে এই বিধিনিষেধ কার্যকর করে আসছে। এর ফলে স্থানীয় প্রস্তুতকারকরা আরও প্রতিযোগিতামুলক দরে বিভিন্ন দেশ থেকে মানসম্পন্ন কাঁচামাল আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে না।
বামা বলেছে, পেস্টিসাইডস আইন, ২০১৮, দ্য পেস্টিসাইডস রুলস, ১৯৮৫ ও বালাইনাশক বিধিমালা ২০১০-এর কোনোটিতে উৎস পূর্ণ বা সাময়িক বন্ধ রাখার বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশনা নেই। সমিতি আরও বলেছে, এই নীতি আমদানি নীতি আদেশ ২০২২-এর সাথেও সাংঘর্ষিক। আমদানি নীতি আদেশে অন্তত দুটি দেশের তিনটি সরবরাহকারীর কাছ থেকে পণ্য আমদানিকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

যে কারণে বিরোধ
পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির ৬৯তম ও ৭৭তম সভার কিছু সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ। ওই সভাগুলোতে কাঁচামালের উৎস সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একইসঙ্গে নিবন্ধিত বালাইনাশকের কাঁচামালের উৎস পরিবর্তনের অনুমোদন দেওয়ার আগে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষার শর্ত যুক্ত করা হয়।
এগ্রোকেমিক্যালস এসোসিয়েশন বলছে, পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির সুপারিশ সরকার বা কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে দেয়া এক চিঠিতে কৃষি মন্ত্রণালয় বলেছিল, বিদ্যমান আইনি কাঠামোতে আমদানির উৎস স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিধান নেই।

মন্ত্রণালয় বলেছে, তারপরও পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির সভায় যথাক্রমে উৎস বন্ধ রাখা এবং নিবন্ধন প্রাপ্তির ২ বছর পর পরিবর্তনের ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা বোধগম্য নয়।
মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটি গঠন করা হয়েছে সরকারকে সুপারিশ প্রদানের জন্য। তাদের সিদ্ধান্ত কেবল মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই বাস্তবায়ন করার কথা। দেশীয় বালাইনাশক উৎপাদনকারীদের কাঁচামাল ও সহযোগী উপাদান আমদানির জন্য উৎস উন্মুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।

এগ্রোকেমিক্যালস ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন আরও অভিযোগ করেছে, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত পেস্টিসাইডস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির ৭৭তম সভায় একক সোর্স নীতি তথা উৎস নির্দিষ্টকরণের জন্য আমদানিকৃত বালাইনাশক মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, রেজিস্টার্ড বালাইনাশকের উৎস পরিবর্তনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার দুই বছর পর ল্যাব টেস্টের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষার মাধ্যমে উৎস পরিবর্তন করা যাবে।

বাংলাদেশের বালাইনাশকের বাজার প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার। এর প্রায় ৯২ শতাংশই বহুজাতিক কোম্পানি ও ফিনিশড পণ্য আমদানিকারকদের দখলে। দেশে বালাইনাশক উৎপাদনের জন্য সরকার ২২টি এগ্রোকেমিক্যাল প্রস্তুতকারক কোম্পানিকে অনুমোদন দিয়েছে, তবে বাজারে তাদের সম্মিলিত হিস্যা মাত্র ৮ শতাংশ।
আগে স্থানীয় উৎপাদনকারীদের কাঁচামাল আমদানিতে মোট করের পরিমাণ ছিল ৫৮ শতাংশ। সর্বশেষ বাজেটে বিএনপি সরকার মাত্র ৩৬টি পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শুল্ক বহাল রেখে বাকি সব কাঁচামালের ওপর শুল্ক শূন্যে নামিয়ে এনেছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন