প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি, উন্মোচিত রোহিঙ্গা যুবক হত্যা রহস্য

প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি, উন্মোচিত রোহিঙ্গা যুবক হত্যা রহস্য

ফন্ট সাইজ:

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫ এর বহুল আলোচিত যুবক আবদুল হাফেজ (২০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় প্রধান আসামি মোহাম্মদ রফিক (২২) গ্রেপ্তারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ নিয়ে মামলায় মোট ৯ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৮ এপিবিএনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২২শে জুন রাতে ক্যাম্প-১৫ এর জামতলী এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে টেলিভিশনে ফুটবল খেলা দেখতে বের হয়ে নিখোঁজ হন আবদুল হাফেজ। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অধিনায়ক ৮ এপিবিএনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিকিউএম) মো. আহসান খানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুসন্ধান শুরু হয়। গোয়েন্দা তথ্য, গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত অব্যাহত রাখা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ঠা জুলাই রাতে ক্যাম্প-১৫ এর এইচ/৭ ব্লকে মোহাম্মদ রফিকের বসতঘরের পাশে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আবদুল হাফেজের পচাগলা লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. জমিনুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রথমে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ক্যাম্প-১৪ এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ রফিককে গ্রেপ্তার করে ৮ এপিবিএনের জামতলী পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কক্সবাজারের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে প্রধান আসামি মোহাম্মদ রফিকও ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এর মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ৮ এপিবিএন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন