বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে সুপারিশ করেছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। বুধবার ইকোসকের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদকে এ সুপারিশ করে।
বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধের পটভূমি, প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল অপরিহার্য।’
ইতিপূর্বে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) উভয় দেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মত দেয় যে, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা সমীচীন হবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক সাধারণ পরিষদকে আগামী ২৪ নভেম্বরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে ওই তারিখেই বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে।
সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এলডিসি থেকে বাংলাদেশের টেকসই উত্তরণের প্রতি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ ও সংস্কার বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলডিসি-উত্তর পর্বের জন্য দেশের প্রস্তুতি আরও সুদৃঢ় করবে।’
