আর্জেন্টিনা হারার ৫ প্রধান কারণ

এনডিটিভির দৃষ্টিতে

আর্জেন্টিনা হারার ৫ প্রধান কারণ

ফন্ট সাইজ:

নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে বদলি ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের গোলে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। স্কোরলাইন ব্যবধান মাত্র এক গোল হলেও পুরো ১২০ মিনিটজুড়ে ম্যাচে স্পেনের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লা রোহা। যে পাঁচটি কারণে ম্যাচটি স্পেনের দিকে ঝুঁকে যায় তা নিচে তুলে ধরা হলো-

মেসির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
পুরো টুর্নামেন্টে আট গোল করা লিওনেল মেসিকে ফাইনালে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্পেন। ম্যাচে তার এক্সপেক্টেড গোল ছিল মাত্র ০.০৪ এবং তিনি একটিও গুরুত্বপূর্ণ পাস দিতে পারেননি। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে মেসি মাত্র একবার বল স্পর্শ করেন, যা স্পেনের কার্যকর পরিকল্পনারই প্রমাণ। 

মাঝমাঠে স্পেনের পূর্ণ আধিপত্য
পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই স্পেনের মাঝমাঠ ছিল দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। ফাইনালেও তারা বলের দখল ধরে রেখে ম্যাচের গতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে। শুধু দ্রুত পাসিং নয়, বল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রেও স্প্যানিশ মিডফিল্ডাররা ছিলেন অসাধারণ। ফলে আর্জেন্টিনা দীর্ঘ সময় বলের দখল রাখতে পারেনি এবং নিজেদের ছন্দও খুঁজে পায়নি। 

এনজো ফার্নান্দেসের লাল কার্ড
দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্পেনের পাউ কুবারসির ওপর কঠোর ট্যাকলের কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেস। এর ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় আর্জেন্টিনাকে। টুর্নামেন্টজুড়ে মাত্র একটি গোল হজম করা স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে একজন কম নিয়ে খেলা আর্জেন্টিনার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের ছয় মিনিটে সেই বাড়তি খেলোয়াড়ের সুবিধাই কাজে লাগায় স্পেন। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থেকে গোল করে দলকে শিরোপা এনে দেন ফেরান তোরেস। 

লিসান্দ্রো মার্তিনেজের চোটে রক্ষণভাগের ভারসাম্য নষ্ট
পুরো বিশ্বকাপে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরো আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের অন্যতম সফল জুটি ছিলেন। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে চোট পাওয়ায় মার্তিনেজকে মাঠ ছাড়তে হয়। তার পরিবর্তে কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ৩৮ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে নামাতে হয়, যিনি পুরো টুর্নামেন্টে এর আগে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছিলেন। মার্তিনেজের রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি পেছন থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার অভাবও ফাইনালে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। 

আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ ছিল সম্পূর্ণ নিষ্প্রভ
ফাইনালের আগে টুর্নামেন্টে ১৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা দল ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তারা নির্ধারিত ৯০ মিনিটে একটিও শট নিতে পারেনি, এমনকি গোলমুখে কোনো শটও ছিল না। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার মোট শট ছিল মাত্র দুটি। অন্যদিকে স্পেন নির্ধারিত সময়েই ২০টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টি ছিল লক্ষ্যে। স্পেনের এক্সপেক্টেড গোল ছিল প্রায় ১.৯৪, যেখানে আর্জেন্টিনার ছিল মাত্র ০.১৭। এই পরিসংখ্যানই দুই দলের পারফরম্যান্সের পার্থক্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরে এবং কেন স্পেন শিরোপা জিতেছে, তারও ব্যাখ্যা দেয়।

Brynne Underwood

১ দিন আগে

Necessitatibus alias

Wade Villarreal

১ দিন আগে

Reiciendis velit vol

Zakiul Islam

১ দিন আগে

নেতানিয়াহুর সমর্থনের কারনেই হেরেছে আর্জেন্টিনা ।

Md.Mosharaf Hossain

১ দিন আগে

প্রতিটি কথাই ঠিক !

মন্তব্য করুন