২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে ‘হত্যাযজ্ঞের’ ঘটনায় তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে গেছেন হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা। রোববার সকালে সংগঠনটির সিনিয়র নায়েবে আমীর আব্দুল হামিদ (মধুপুর পীর সাহেব)-এর নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলে যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার, মুফতি মীর ইদ্রিসসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে মানবজমিনকে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্ত সংস্থা ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দিয়েছে। বর্তমানে সেটি পর্যালোচনার কাজ চলছে। আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত সময়েই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। তিনি বলেন, ‘এ মামলার তদন্তের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে কিছুক্ষণ পর আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করা হবে।’
চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধু ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকায় প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদনে ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা এবং লেখক শাহরিয়ার কবীরের নাম রয়েছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে ব্রিফিংয়ে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে ১৩ দফা দাবিতে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। দিনভর উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পর গভীর রাতে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি যৌথ অভিযান চালিয়ে শাপলা চত্বর খালি করে। ওই অভিযানে বহু মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগে বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত চলছে।

Mohsin
৫ ঘন্টা আগেবাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ দেখেছে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের বছর দুয়েক আগে হেফাজতের নেতারা নিজেদের ঈমান আকিদা জলাঞ্জলি দিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সাথে যখন আপোষ করেন তখন বেমালুম ভুলে গিয়েছিল শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের কথা।