সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় সড়ক, জরুরি সেবা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ফন্ট সাইজ:

সুনামগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত দুর্গম হাওরাঞ্চল শাল্লা উপজেলা। চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উপজেলায় বর্ষা মৌসুমে নৌকাই প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম। শুষ্ক মৌসুমে পায়ে হেঁটেই চলাচল করতে হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই দীর্ঘদিনের সংকট এখন প্রভাব ফেলছে জরুরি সেবাতেও। উপজেলায় একটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন থাকলেও সামান্য বৃষ্টিতেই এর সংযোগ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে অগ্নিকাণ্ড বা অন্য কোনো জরুরি ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

একই সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন দু’টি ইউনিয়নের হাজারো বাসিন্দা এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাল্লা-সুনামগঞ্জ সড়কের নির্মাণকাজ প্রায় পাঁচ বছর আগে শুরু হলেও এখনো শেষ হয়নি। এতে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে জরুরি সেবার কার্যকারিতাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী বলেন, বর্তমানে শাল্লা সদর ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে আগুন লাগলে আমাদের গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। রাস্তার কারণে সময়মতো সেবা দেয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি কী করা যায়। এলাকাবাসীর দাবি, হাওরাঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সংযোগ সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান শাল্লা-সুনামগঞ্জ সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন