ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মা ও দুই সন্তানসহ নিহত ৪

ফন্ট সাইজ:

জেলার জলঢাকা-ডোমার মহাসড়কে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মা ও দুই সন্তানসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত অবস্থায় সাইদুল নামে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মটুকপুর ইউনিয়নের নদীয়াপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। একই পরিবারের তিনজনের নিহতের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলো- নদীয়াপাড়া এলাকার প্রদীপ রায়ের স্ত্রী প্রতিমা রানী (২৮) ও তার দুই সন্তান বিপাসা রানী (৮) এবং যাদব (৫)। এ সময় মিথিলা চালক পরিমল চন্দ্রও (৩৬) নিহত হন। নিহত পরিমল নদীয়াপাড়া এলকার অলি বর্মণের ছেলে। স্থানীয়রা বলেন, দুপুরের দিকে জলঢাকা থেকে ডোমারগামী একটি ট্রাক পেছন থেকে যাত্রীবাহী একটি মিথিলাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিথিলাচালক পরিমলসহ দুই শিশু ও তদের মা মারা যায়। আহত সাইদুল নামে একজনকে রংপুর মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। রমজান আলী নামে একজন বলেন, হঠাৎ করেই ট্রাকটি মিথিলার উপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যায়। আর দু’জনকে আমরা উদ্ধার করে বোড়াগাড়ী হাসপাতালে নিয়ে যাই। স্থানীয়রা আরও বলেন, এই রাস্তাটি সরু হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত এখানে দুর্ঘটনা ঘটছে। রাস্তাটি প্রশস্ত করা জরুরি। রাস্তাটি প্রশস্ত না করলে দুর্ঘটনা আরও বাড়তেই থাকবে।

নিহত প্রতীমার ননদ বাসন্তী রানী বলেন, বৌদির পিসির ছেলের বিয়েতে বোড়াগাড়ীর শিয়ালডাঙ্গি যাওয়ার পথে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হযে বৌদি ও দুই ভাতিজা-ভাতিজি মারা যায়। ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, দুইজন শিশু এখানে আসার পর মারা যায়। আর দু’জনকে মৃত অবস্থায় এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। লাশ পরিবারের কাছে আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হয়। নিহতের পরিবারের লোকজন দাহ শেষে মামলা করবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন