সামান্য বৃষ্টিতে কালিয়া পৌরসভা ব্যস্ততম কলেজ রোড তলিয়ে যায়। এতে জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরজমিন দেখা যায়, কালিয়া পৌরসভা মুন্সি বেকারির চৌরাস্তার মোড় থেকে জামায়াতে ইসলামী অফিস পর্যন্ত রাস্তার উপর একটু বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায়। পৌরসভার এই ব্যস্ততম সড়কের পার্শ্বে ড্রেনের অবস্থা খুবই নাজুক। ড্রেনটি প্রায় ৬ মাস পরিষ্কার করা হয় না। তাছাড়া পশুসম্পদ অফিস থেকে আলপনা সিনেমা হল এনামুলের দোকান পর্যন্ত ড্রেনের উপর দিয়ে দোকান মালিকগণ দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে।
দোকানঘরের নিচ দিয়ে ড্রেন আছে কি না, ড্রেন রাখা হয়েছে কিনা এবং ড্রেন রাখার ব্যবস্থা থাকলেও অল্প জায়গার ভেতরে যেয়ে কে ওই ড্রেনটি পরিষ্কার করবে। দোকান মালিকগণ ড্রেনের উপর অট্টালিকা দোকানঘর বানিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা-বাণিজ্য করে যাচ্ছে। পৌরসভার জায়গায় দোকানঘর নির্মাণ করতে গেলে পৌরসভার ড্রেন ও রাস্তা ঠিক না করে পূর্বের পৌর মেয়ররা কোটি কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে দোকানঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে। পৌরসভার যে সমস্ত ড্রেনগুলো তৈরি করা হয়েছে তা নিয়মমাফিক হয়নি বলে পৌরবাসী জানায়।
পৌরসভা, এনিমি ও জেলা পরিষদের জায়গায় পৌর ড্রেনের ব্যবস্থা না করে কীভাবে দোকানঘর তৈরি করা হলো এটা পৌরবাসীর জিজ্ঞাসা। ড্রেন অথবা রাস্তা নির্মাণের জন্য পৌর আইনে দোকান, ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেয়ার নিয়ম আছে। মেয়র নির্বাচিত হলে ঘুষের কারণে সঠিকভাবে পৌরসভা গড়ে উঠে না। দোকান মালিক লিটু তালুকদার, আফজাল মল্লিক, জাকির হোসেন জানান বৃষ্ট হলে প্লেট দিয়ে দোকানের পানি ফেলতে হচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার নিরসন ও ড্রেন পরিষ্কারের দাবি করে তারা। রাস্তা ও ড্রেনের ব্যবস্থা না করে দোকানঘর নির্মাণ সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়েছে। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিন্নাতুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
