ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানকার গ্রামের দুবাই প্রবাসী আপন ভাইয়ের বাড়ির জমিতে জোরপূর্বক দালানঘর নির্মাণ করে যাচ্ছে আব্দুল মমিন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। দুবাই প্রবাসী জমির আলী তার সম্পদ রক্ষা ও পরিবারের নিরাপত্তায় প্রবাস থেকেই আইনি সহযোগিতা চেয়ে পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। বর্তমানে জমির আলী দেশে অবস্থান করলেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নানকার গ্রামের আব্দুল মমিন ও জমির আলী তারা দু’জনই মৃত আব্দুল মুকিদের পুত্র। প্রবাসে থাকেন জমির আলী এ সুবাদে তার বসত বাড়িতে জোরদখল করে ঘর নির্মাণ করে যাচ্ছে আপন ভাই আব্দুল মমিন।
এতে একাধিক মামলা-মোকদ্দমা ও হয়েছে। স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকও হয়েছে একাধিকবার। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছেনা। আদালত, থানা পুলিশ ও বিচার সালিশ সবাইকে উপেক্ষা করে আব্দুল মমিন পাকা দালান ঘরের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আব্দুল মমিন সামনা-সামনি থানা পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সকল আদেশ প্রথমে মান্য করেন, কিন্ত লোকজন বা পুলিশ চলে গেলে ঘরের কাজ শুরু করে দেন। জমিতে রয়েছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা, থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের নিষেধাজ্ঞা। এসব অমান্য করেই অন্যায় এবং জোরামুলি কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন আব্দুল মমিন। এ নিয়ে ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান-মেম্বার, গ্রাম-এলাকার মুরব্বি দের নিয়ে অনেক সালিশ বৈঠক হয়েছে। এসব প্রচেষ্টা সবই যেন ব্যর্থ হচ্ছে আবুল মমিনের কারণে।
এদিকে বাধা দিলে বাধবে লড়াই, এ যেন এক মগেরমুল্লুক এভাবেই আব্দুল মমিনের চলাফেরা। বিচার সালিশ, পুলিশ, আদালত কিছুই মানতে নারাজ তিনি। জমির আলী একদিকে স্থানীয় মুরব্বি, আদালত, থানা পুলিশের কাছে দৌড়ঝাঁপ দিচ্ছেন, আইনি সহায়তা চাচ্ছেন, অপরদিকে হয়ে পড়েছেন নিরাপত্তাহীন। এ বিষয়টিতে আইনি তৎপরতা আরও কঠিন ও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
