প্রবল বর্ষণে শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের গোবরা গ্রামের মাঝে বয়রা-গোবরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত সড়কের ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে পানির প্রবল চাপে। এতে বিপাকে পড়েছে পাঁচ গ্রামের সাধারণ মানুষ। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় শালিখা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মাগুরা ৪ উপজেলায় নবগঙ্গা, কুমার, ফুটকি ও মধুমতি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। অতিবর্ষণের ফলে পানির চাপে শুক্রবার বিকালে ভেঙে পড়ে শালিখা শতখালী উপজেলার বয়রা-গোবরা গ্রামের এ ব্রিজটি। বৃষ্টি ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভোগান্তিতে পড়ে গ্রামবাসী। এ সড়ক দিয়ে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারে যাতাযাত করে। এদিকে, ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় বেশি বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। ব্রিজ ভেঙে যায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারছে না। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার ফলে এই গ্রামের অধিকাংশ শ্রমজীবী মানুষ শহরে কাজে যেতে পারছে না।
অন্যদিকে, ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় বয়রা-গোবরার সঙ্গে সংযোগ কাদিরপাড়া খেয়াঘাট, নারিকেলবাড়ীয়া বাজার, কাদিরপাড়া হরিশপুর দেওয়াডাঙ্গার সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ব্রিজের দু’পাশে দু’টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এলাকাবাসীর লোকজন জানান, মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য এমপি ও সংস্কৃতিমন্ত্রী এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে যতদ্রুত সম্ভব ব্রিজটি সংস্কার করে মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করে দেয়ার। এলাকার স্থানীয় সাধারণ মানুষ জানান, ঠিকাদারদের কাজের গাফিলতিতে এ ব্রিজটি পানির চাপ সইতে না পারায় এটা ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আমরা বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
অনেক যানবাহন ঝুঁকি নিয়েই এই ব্রিজ পার হয়েছে। কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণের ফলে প্রবল পানির চাপে ব্রিজের নিচের মাটি সরে গিয়ে ব্রিজটি ভেঙে যায়। ব্রিজ ভেঙে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই গ্রামের সঙ্গে শালিখা উপজেলার সমস্ত গ্রামের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার করে যোগাযোগের দ্বার উন্মুক্ত করা হোক। নইলে বিপাকে পড়বে এই গ্রামের সাধারণ মানুষ।
