নওগাঁর নিয়ামতপুরে তিন বছরের শিশু ফাতিমা আহাম্মাদ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হৃদ্যন্ত্রে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার ছিদ্র নিয়ে এখন সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসহায় বাবা-মা মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে হাত বাড়িয়েছেন। ফাতিমা নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর মেয়ে। বর্তমানে সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও সংক্রমণসহ নানা জটিলতা নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে সে। জানা যায়, মাত্র এক বছর বয়সে ফাতিমার হৃদ্রোগ ধরা পড়ে। তখনই চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থাভাবে সেই চিকিৎসা আর করানো সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করেছে। ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালানো বাবা মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর পক্ষে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা অসম্ভব। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। আপনারা সবাই একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার ফাতিমা নতুন জীবন পাবে। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফায়সাল নাহিদ দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে ফাতিমার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দ্রুত তাকে ঢাকায় নেয়া প্রয়োজন। সমাজের সহৃদয় মানুষদের সহায়তাই হতে পারে ছোট্ট ফাতিমার নতুন জীবনের আশার আলো।
তিন বছরের ফাতিমার হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র
মেয়েকে বাঁচাতে ভ্যানচালক বাবার আকুতি
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
