ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে হাজার হাজার শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন নিয়ে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন বিপুল জনতার মধ্য দিয়ে বহন করা হচ্ছে। শোকযাত্রায় অংশ নেয়া মানুষজন তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে।
৮৬ বছর বয়সী আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
খোমেনি ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, আর তার মৃত্যুর পর খামেনি দেশটির নেতৃত্বে আসেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামি বিপ্লবের আদর্শিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন খোমেনি। অন্যদিকে, আলি খামেনির নেতৃত্বেই ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো শক্তিশালী হয়, যা একদিকে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সুসংহত করে এবং অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
