কাঠগড়ায় রেফারি, প্রশ্নবিদ্ধ ফিফা

কাঠগড়ায় রেফারি, প্রশ্নবিদ্ধ ফিফা

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। পরে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-২ গোলের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। বিশ্বকাপে দুই বা তার বেশি গোলে পিছিয়ে থেকেও আর্জেন্টিনা এবারই প্রথম বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ জিতলো। আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর রেফারিং ও ভিএআরের দু’টি সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছে মিশর। দলটির কোচ হোসাম হাসানের দাবি- ৬২ মিনিটে মোস্তাফা জিকোর করা গোলটি অন্যায্যভাবে বাতিল করা হয়েছে, আবার আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে ফাউল হলেও সেটি আমলে নেয়া হয়নি। হয়তো আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতেই মিশরের সঙ্গে এ অন্যায় করা হয়েছে- এমন মন্তব্যও করেছেন মিশর কোচ। রেফারিকে ‘জালিম’ আখ্যা দিয়েছেন ফরোয়ার্ড জিকো। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত দিয়েছেন বিশ্লেষক। তাদের মধ্যে অনেকেই রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক বলে মত দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, রেফারি একটু বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। সব মিলিয়ে কোটি দর্শকের কাঠগড়ায় রেফারি। পাশাপাশি প্রশ্নবিদ্ধ ফিফা।

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন। সেখানে সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিস খুঁজে দেখেছেন কেন মিশরের গোল বাতিল করা হয়েছিল, কেন আর্জেন্টিনার গোল বহাল রাখা হয়েছে। দিয়েছেন নিজের ব্যাখ্যাও। ইংলিশ ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে এক যুগের বেশি সময় রেফারিং করা এবং ভিএআর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা ডেভিসের সেই বিশ্লেষণে বলেন, ‘ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মিশরের ফরোয়ার্ড মোস্তাফা জিকো বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা একটি গোল করেছেন বলে মনে হচ্ছিল। সেই গোলে মিশর ২-০ ব্যবধানে এগিয়েও যায়। কিন্তু ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোলটি বাতিল করা হয়। কারণ গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় মিশরের ডিফেন্ডার মারওয়ান আত্তিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের বিরুদ্ধে ফাউল করেছিলেন। ভিএআর জানায়, গোল হওয়ার আগে ফাউল হয়েছিল।

তাই রেফারিকে মনিটরে গিয়ে ঘটনাটি দেখতে বলা হয়। রিভিউ শেষে রেফারি গোল বাতিল করেন। ভিএআরের মতে, আত্তিয়া একই সময়ে মার্তিনেজের জার্সি ধরে টানেন এবং তার পায়ের ওপর পা রাখেন। এই দু’টি ঘটনাই ফাউল হিসেবে বিবেচিত হয়। ভিডিও দেখার পর ফরাসি রেফারি লেতেক্সিয়ে ভিএআরের সঙ্গে একমত হন এবং গোল বাতিল করেন। ডেভিসের মতে, ভিএআরের হস্তক্ষেপ সঠিক ছিল। গোল বাতিলের সিদ্ধান্তও সঠিক। আত্তিয়ার স্পষ্ট ফাউলের কারণে আর্জেন্টিনা আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায়। সেই ফাউলের সরাসরি ফল হিসেবেই মিশর গোলটি করেছিল। তাই নিয়ম অনুযায়ী গোলটি বাতিল করাই সঠিক সিদ্ধান্ত। ঘটনাটি বক্সের বেশ বাইরে মিশরের অর্ধে ঘটেছিল বলে এ নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু একই আক্রমণপর্বে যদি কোনো ফাউলের সরাসরি পরিণতিতে গোল হয়, তাহলে সেই গোল বাতিল করতে হয়। রেফারিকে যখন একসঙ্গে জার্সি টানা ও পায়ে পা রাখার দৃশ্য দেখানো হয়, তখন তার পক্ষে আগের সিদ্ধান্ত (গোল) বহাল রাখা সম্ভব ছিল না।’

ফিফার ভিএআর প্রটোকলের ২ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, ‘রেফারিকে অবশ্যই একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে, অর্থাৎ রেফারি ‘কোনো সিদ্ধান্ত নেই’ বলে পরে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ভিএআর ব্যবহার করতে পারবেন না। কোনো কথিত ফাউলের পর খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করা যেতে পারে।’ লিসান্দ্রো মার্তিনেজের ওপর ফাউলের ক্ষেত্রে, রেফারির প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি আসলে মিশরের পক্ষেই গিয়েছিল, কারণ তিনি ফাউল না দিয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। যেহেতু খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়াটাও রেফারির একটি সিদ্ধান্ত, তাই ২ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী ঘটনাটি ভিএআর পর্যালোচনার যোগ্য ছিল।
ফাউলটি সংঘটিত হওয়ার পর প্রায় ৩০ সেকেন্ড খেলা চললেও ভিএআর ঘটনাটি পর্যালোচনা করেছিল। এটিও প্রটোকলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল, কারণ ৬ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, ‘পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার জন্য কোনো সময়সীমা নেই, কারণ গতির চেয়ে নির্ভুলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

ম্যাচের শেষ দিকে মিশর দু’টি আলাদা ঘটনায় ফাউলের আবেদন জানায়। এর একটি ঘটে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ গোল করার আগে। দু’টি ঘটনাই আর্জেন্টিনার পেনাল্টি এলাকার ভেতরে ঘটে। প্রথম ঘটনায় আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারকে মিশরের হামদি ফাতির জার্সি টানতে দেখা যায়। এরপর ফাতি মাটিতে পড়ে যান। তবে রেফারি কোনো ফাউল দেননি। আরেক ঘটনায়, ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে মোহাম্মদ সালাহ দাবি করেন, আর্জেন্টিনার পেনাল্টি এলাকায় ঢোকার সময় হুলিয়ান আলভারেস তাকে ফাউল করেছেন। কিন্তু রেফারির মতে, এটি ফাউল দেয়ার মতো ঘটনা ছিল না। ভিএআর দু’টি ঘটনাই পরীক্ষা করে মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। অর্থাৎ কোনো পেনাল্টি দেয়া হয়নি। ভিএআর বা ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির জন্য ম্যাচটি বেশ কঠিন ছিল।

বিশেষ করে ম্যাক আলিস্টারের ঘটনাটি মাঠের যে জায়গায় ঘটেছিল, তার ফলে এক অদ্ভুত ‘দ্বিমুখী পরিস্থিতির’ তৈরি হয়। সেখানে রেফারি কোনো সিদ্ধান্ত বদলালে তার প্রভাব একসঙ্গে দু’টি ক্ষেত্রে পড়তো। প্রথমত আর্জেন্টিনার গোলটি বাতিল হতে পারতো, দ্বিতীয়ত ঠিক তার আগের মুহূর্তেই মাঠের অপর প্রান্তে ফাউল হওয়ার কারণে প্রতিপক্ষ দল একটি পেনাল্টি পেয়ে যেতে পারতো। কারণ দু’টি ঘটনাই খেলার একই পর্যায় বা সিকোয়েন্সের মধ্যে ঘটেছিল। তবে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডারদের (এ ক্ষেত্রে ম্যাক আলিস্টার ও আলভারেস) আচরণ ও খেলার ধরন বিশ্লেষণ করে ভিএআর নিশ্চিত হয় যে, কোনো সিদ্ধান্তেই হস্তক্ষেপ করার মতো বড় কোনো ভুল হয়নি।

তাই তারা দু’টি ঘটনাই পরীক্ষা করে রেফারির আগের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন। রেফারি ও ভিএআরের জন্য ম্যাচের শেষ অংশটি কঠিন ছিল। তবে দু’টি ক্ষেত্রেই তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মত দেন অ্যান্ডি ডেভিস। ম্যাক আলিস্টার ফাতির জার্সি ধরে ঝুঁকি নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি ছিল খুবই অল্প সময়ের জন্য। এতে ফাতির বল পাওয়ার সম্ভাবনা বা আক্রমণে অংশ নেয়ার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি। তাই এটিকে পেনাল্টি দেয়ার মতো ফাউল বলা যায় না। একইভাবে সালাহকে পেনাল্টি না দেয়ার সিদ্ধান্তও সঠিক। ওই ঘটনায় সালাহ ফাউলের চেয়ে পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টা বেশি করেছেন। আলভারেসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ফাউল ছিল না। দু’জনের বুট একে-অপরের সঙ্গে লাগে এবং দু’জনের গতির কারণেই সেই সংস্পর্শ তৈরি হয়। সালাহ অপ্রয়োজনীয়ভাবে মাটিতে পড়ে যান।’ দুই ফাউলে ভিন্ন সিদ্ধান্ত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করে ডেভিস বলেন, ‘অনেকে শেষের ঘটনাটির সঙ্গে মিশরের বাতিল হওয়া গোলের আগে আত্তিয়ার ফাউলের তুলনা করতে পারেন। তবে দু’টি ঘটনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে। প্রথম ঘটনায় একজন ডিফেন্ডার স্পষ্টভাবে প্রতিপক্ষের পায়ের ওপর পা রেখেছিলেন। কিন্তু সালাহর ঘটনায় দু’জনের বুটের মধ্যে স্বাভাবিক সংস্পর্শ হয়েছিল, যা দুই খেলোয়াড়ের গতির ফল। তাই দু’টি ঘটনা এক নয়।’

ভিএআর আইনও বলছে একই কথা। ভিএআর প্রটোকলের ৩ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, ‘রেফারির দেয়া মূল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হবে না, যদি না ভিডিও রিভিউতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে সিদ্ধান্তটি একটি ‘সুস্পষ্ট ও অনিবার্য ভুল’ ছিল।’ এই ক্ষেত্রে, ভিএআর হস্তক্ষেপ করেনি কারণ রেফারির সিদ্ধান্তটি একটি ‘সুস্পষ্ট ও অনিবার্য ভুল’ বলে মনে হয়নি। এটি ৩ নম্বর নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। তা ছাড়া, মিশরের পর্যালোচনার অনুরোধটিও প্রটোকলের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ভিএআর প্রটোকলের ১২ নম্বর নিয়মে বলা হয়েছে, ‘যেহেতু ভিএআর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিটি পরিস্থিতি/সিদ্ধান্ত ‘যাচাই’ করবে, তাই কোচ বা খেলোয়াড়দের ‘পর্যালোচনার’ জন্য অনুরোধ করার কোনো প্রয়োজন নেই।’

তবে সিদ্ধান্ত দু’টি নিয়ে ভিন্ন মতও আছে অনেকের। রেফারিং বিশেষজ্ঞ ও ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের সাবেক অফিসিয়াল গ্রাহাম স্কট এ নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন দ্য অ্যাথলেটিক সংবাদমাধ্যমে। তার মতে, ৬৭তম মিনিটে মিশরের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকোর করা গোলটি বাতিল করা ‘ভুল সিদ্ধান্ত’। স্কট বলেন, ‘ঘটনাটি ঘটেছিল গোলপোস্ট থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে। ফলে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে রক্ষণ সামলানোর পর্যাপ্ত সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনার সামনে। তাই ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল হওয়ায় মিশর দল যে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করবে, তা বলাই বাহুল্য।’ ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোল বাতিল করার মতো অপরাধ হয়নি বলে মনে করে স্কট বলেন, ‘যদি ঘটনায় তাকাই, তবে দেখা যাবে, খেলোয়াড়দের মধ্যে সামান্য শরীরী লড়াই হয়েছিল, পায়ের ওপর পা রাখার পাশাপাশি জার্সি সামান্য টেনে ধরার ঘটনাও ঘটেছিল। তবে সেটি এমন কোনো বড় অপরাধ ছিল না, যার জন্য ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোলটি বাতিল করতে হবে।’ একই যুক্তিতে, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে মোহাম্মদ সালাহকে ফাউলের অভিযোগে মিশরের পেনাল্টির দাবিটি নাকচ করে দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন রেফারি। সালাহর বুটে সামান্য আঘাত লেগেছিল ঠিকই, তবে সেটা তাকে ফেলে দেয়ার মতো যথেষ্ট ছিল না। এটি কোনোভাবেই ফাউল ছিল না।’

ফক্স স্পোর্টসের ফুটবল নিয়ম বিশ্লেষক ও সাবেক ফিফা রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ রেফারি এবং ভিএআর রিভিউ- উভয় সিদ্ধান্তের সঙ্গেই দ্বিমত পোষণ করেন। ম্যাচ শেষে ফক্স স্পোর্টসকে ক্ল্যাটেনবার্গ বলেন, ‘আমি মনে করি না যে এটি ফাউল ছিল এবং গোলটি বাতিল করতে ভিএআরের এভাবে হস্তক্ষেপ করা উচিত হয়েছে।’ ক্ল্যাটেনবার্গ আরও বলেন, ‘ভিএআর একটু বেশিই চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছে এবং মিশরের গোলটি বাতিল করতে তারা যেন ম্যাচের মধ্যে খুঁত খুঁজেছে। আমরা যদি আর্জেন্টিনার দিকে তাকাই, কিছু সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই তাদের পক্ষে গেছে। আর এ ঘটনা তো অবশ্যই পক্ষে গেছে; কারণ গোলটি বাতিল করা হয়। অবশ্যই বিশ্ব জুড়ে বহু মানুষ এটিকে ভিএআরের অন্যায্য হস্তক্ষেপ হিসেবেই দেখবে।’ ফক্স স্পোর্টসের ফুটবল রেফারিং বিশেষজ্ঞ ডক্টর জো মাচনিকের ধারণা ভিন্ন। তার মতে, যেহেতু ঘটনাটি ফাউল ছিল, তাই গোলটি বাতিল করার সিদ্ধান্তটিই সঠিক।

ম্যাচ শেষে ‘ওয়ার্ল্ড কাপ নাউ’ অনুষ্ঠানে মাচনিক সিদ্ধান্তটি নিয়ে ব্যাখ্যা দেন। তার ভাষায়, ‘এটি অনেক আগে থেকেই ভিএআর প্রটোকল বা নিয়মের অংশ। প্রযুক্তিটি চালুর একদম শুরুর দিকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, কোনো ফাউলের সূত্র ধরে গোল হলে, সেই গোল কোনোভাবেই বৈধতা পাবে না। তবে নিয়মে ফাউল ও গোলের মধ্যকার কোনো নির্দিষ্ট দূরত্ব ৫ সেকেন্ড আগে বা ৭৫ গজ দূরে হতে হবে- এমন কোনো সময়সীমার কথা বলা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ দল বলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে না পাচ্ছে বা নতুন কোনো মুভ তৈরি করতে না পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ধরে নেয়া হবে ওই ফাউলের মাধ্যমেই বলের দখল নেয়া হয়েছিল এবং সেই আক্রমণ থেকেই গোলটি এসেছে। এটি পুরোপুরি নিয়ম মেনেই করা হয়েছে, আর ঠিক এ কারণেই গোলটি বাতিল করা হয়।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন