জীবনের শেষ বিশ্বকাপটা ব্রাজিলের তারকা খেলোয়াড় নেইমার জুনিয়রের বিষাদে ভরে গেল। পরাজয় নিয়ে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। তখন অশ্রু চোখে। এর মধ্য দিয়েই বিশ্বকাপের আসর থেকে নেইমারের বিদায় ঘটল। অথচ কোটি ভক্ত, দর্শক তার আগে অন্যরকম আশা করেছিলেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল নেইমারের হাতে উঠবে বিশ্বকাপ। কিন্তু সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিলেন নরওয়ের আরলিং হালান্ড। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিলান্ডের মুখের দিকে তাকিয়ে হেসেছিলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাসিটা ছিল নরওয়েরই। সাবেক বার্সেলোনা ও পিএসজি তারকা নেইমার বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ব্রাজিলের হয়ে একটি গোল শোধ করেন। তাও ছিল পেনাল্টি শট। এই শট মারার আগে নরওয়ের গোলকিপারের সঙ্গে তর্কে জড়ান।
বেশ কতক্ষণ দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পেনাল্টিতে নেইমার গোল করলেও সেটি শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসেনি। ব্রাজিল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়ার পরও নেইমারকে অরইয়ান নিলান্ডের মুখের দিকে তাকিয়ে হাসতে দেখা যায়। তবে বিষয়টি ফুটবল সমর্থকদের নজর এড়ায়নি। একজন সমর্থক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন- নেইমার অনেক কথা বলছিলেন। কিন্তু শেষ হাসিটা গোলরক্ষকই হেসেছেন।
তার দল পরের রাউন্ডে উঠে গেছে। আরেকজন লিখেছেন, সময় প্রায় শেষ। তবুও নেইমারের কথার লড়াই চলছিল। সত্যিই হাস্যকর। আরেকজনের মন্তব্য, খেলায় মনোযোগ দেয়ার বদলে তিনি গোলরক্ষকের সঙ্গে তর্কে ব্যস্ত ছিলেন। আরেক সমর্থক সমালোচনা করে লিখেছেন, সান্ত্বনার গোল উদ্যাপন করা ছিল একেবারেই হতাশাজনক।
হৃদয়ভাঙা এই বিদায়ের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্রাজিলের কিংবদন্তি সাম্বা তারকা নেইমার।
