মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামের পাঁচ গোলের এই ম্যাচে কী ছিল না! আক্রমণ, পাল্টা–আক্রমণ, লাল কার্ড, পেনাল্টি এবং শেষ বেলায় মেক্সিকানদের কান্না, ইংলিশদের মুখে হাসি। মেক্সিকো–ইংল্যান্ডের মধ্যে শেষ ষোলোর এই ম্যাচই এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচ। যেখানে স্কোরলাইন বলছে ইংল্যান্ড জিতেছে ৩–২ গোলে। তবে ম্যাচটি দেখে থাকলে হৃদয় বলবে মেক্সিকোও হারেনি!কিন্তু মেক্সিকো সমর্থকদের কাছে নির্মম বাস্তবতা হলো, শেষ বাঁশি বাজার পর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডই। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নরওয়ে।
এমন বিদায়ে পর ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মেক্সিকোর ফুটবলাররা। এ সময় দর্শকদের অনেকের চোখেও ছিল পানি।
মেক্সিকোর ফুটবলাররা ম্যাচ শেষ করে দর্শক গ্যালারির সামনে দাঁড়িয়ে তাদের সমর্থন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। এ সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি স্বাগতিক দলের ফুটবলাররা। কাঁদছিলেন দর্শকরাও। সবমিলিয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ম্যাচে ৬৬ শতাংশ বল দখলে রেখে ২২টি শট নেয় মেক্সিকো। যার মধ্যে ৫টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ৩৪ শতাংশ বল দখলে রেখে মোটে ৬টি শট নিতে পারে ইংল্যান্ড। তবে ওই ৬ শটের ৫টি লক্ষ্যে রেখে ৩টি থেকে গোল আদায় করে নেয় টমাস টুখেলের দল।
ম্যাচের ৫৪ মিনিটে জ্যারেল কোয়ানসা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দশজনের দলে পরিণত হয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি মেক্সিকো।
ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল করেছেন জুড বেলিংহাম। অন্যটি পেনাল্টি থেকে করেছেন হ্যারি কেইন। মেক্সিকোর হয়ে জাল খুঁজে পান জুলিয়ান কুইনোনেসের বিপরীতে রাউল হিমিনেজ।
