ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় দেশটির রাজধানী তেহরানে লাখ লাখ মানুষ হাজির হয়েছে। ঐতিহাসিক এই জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদলসহ প্রায় দেড় থেকে দুই কোটির বেশি মানুষ সমবেত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার (০৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির জানাজায় উপস্থিত জনসমুদ্র থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার ডাক উঠেছে।
খামেনির জানাজায় অংশ নেয়া ৪২ বছর বছর বয়সী নার্স জিবা নাদেরি বলেন, আমাদের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি যা নির্দেশ দেন তাই ইরানিদের মেনে চলা দরকার।
তিনি বলেছেন, আমি প্রতিশোধের ডাক শুনতে পাচ্ছি, কিন্তু আমাদের নেতার এই বিষয়ে বলা উচিৎ আমাদের কী করতে হবে এবং আমরা অবশ্যই তার কথা শুনবো।
এদিন গ্রান্ড মোসাল্লায় বিভিন্ন পোস্টার ও গ্রাফিতি দেখা যাচ্ছে। সেগুলোতে ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার আহ্বান করা হয়েছে।
সেখানে জানাজার নামাজের আগে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করা কবি মোহাম্মদ রসৌলি “আমেরিকার ধ্বংস হোক” এবং “ইসরাইলের ধ্বংস হোক” স্লোগান দেন।
লাউডস্পিকারে জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার সময় রাসৌলি ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য লোকটা এখনও বেঁচে আছে কেন?” তার এমন প্রশ্নে উপস্থিত জনতা উল্লাস শুরু করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অতর্কিত হামলা শুরু করে ইসরাইল ও মার্কিন বাহিনী। প্রথম দিনের সেই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ কয়েক ডজন নেতা এবং সামরিক কমান্ডার নিহত হন।
