এবার ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে হাসান মাহমুদ

এবার ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে হাসান মাহমুদ

ফন্ট সাইজ:

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে সাড়া জাগানো অভিষেকের পর বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদের সামনে আরও একটি বড় মঞ্চ। ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে কেন্ট স্পিটফায়ার্সের জার্সিতে দেখা যাবে তাকে। গ্রুপ পর্বের শেষ তিন ম্যাচের জন্য তাকে দলে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কেন্ট ক্রিকেট। ২৬ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসার হ্যাম্পশায়ার হকস, সারে ও মিডলসেক্সের বিপক্ষে ম্যাচে খেলবেন। এর মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় কেন্ট স্পিটফায়ার্সের হয়ে খেলা প্রথম বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হতে যাচ্ছেন হাসান।

এই মৌসুমে কেন্টের হয়ে রেড বল ক্রিকেটে নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখান হাসান। জুন মাসে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই ছিলেন অসাধারণ। ব্ল্যাকপুলে সেই ম্যাচে তিনি নেন ৯ উইকেট, যার মধ্যে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার ছিল দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ রানে ৬ উইকেট। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে লাঙ্কাশায়ারকে মাত্র ৮৭ রানে গুটিয়ে বড় জয় পায় কেন্ট। এখন পর্যন্ত কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে দুই ম্যাচেই ১২ উইকেট শিকার করেছেন এই পেসার। কেন্টের ইতিহাসে হাসানই প্রথম বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, যিনি এই ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি ক্লাবের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৩টি টেস্ট খেলে ৩৬ উইকেট নেয়া হাসানের টেস্ট ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৩ রানে ৫ উইকেট। জুন মাসে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের চুক্তি দিয়ে কেন্টে যাত্রা শুরু হলেও, এখন টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টেও ডাক পেলেন হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা এই পেসারের শিকার ২৮ উইকেট। কেন্টে যোগ দেয়ার সময় হাসান বলেছিলেন, ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাওয়াটা তার জন্য গর্বের এবং স্বপ্নপূরণের মতো। এবার ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলার সুযোগ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত এই পেসার। কেন্টের প্রকাশিত বিবৃতিতে হাসান বলেন, ‘এ পর্যন্ত কেন্টে সময়টা আমি ভীষণ উপভোগ করেছি। ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ফিরে এসে অবদান রাখার সুযোগ যখন এলো, তখন এক মুহূর্তও দ্বিধা করিনি।’ তিনি বলেন, ‘কেন্টকে নকআউট পর্বে তুলতে আমি নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ব্যক্তিগতভাবে, আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য আমি কেন্টকে ধন্যবাদ জানাই।’ সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেকে আরও প্রমাণ করার এই সুযোগকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন হাসান নিজেও। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় নিজেকে প্রমাণ করার এটি একটি বড় সুযোগ। বাংলাদেশের হয়ে আবারও সাদা বলের ক্রিকেটে ফেরার জন্য নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার এটি দারুণ একটি সুযোগ বলে আমি মনে করি।’ টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই শুরু হবে ১৫ই জুলাই থেকে, আর ১৮ই জুলাই। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ভাগ খেলতে আবারো কেন্টে ফিরবেন হাসান মাহমুদ।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন