কেইনের জোড়া গোল, দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড

কেইনের জোড়া গোল, দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড

ফন্ট সাইজ:

ফুল-টাইম: ইংল্যান্ড ২-১ ডিআর কঙ্গো

অধিনায়ক হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়লো ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টে নিজের চতুর্থ ও পঞ্চম গোল করে দলকে এক চরম লজ্জা থেকে বাঁচালেন ইংলিশ অধিনায়ক। ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিট বাকি থাকতেও যেখানে বড় অঘটনের শঙ্কা জাগছিল, সেখানে বদলি হিসেবে নামা গর্ডনের সঙ্গে মিলে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে পাশা বদলে দেন কেইন। তবে কঙ্গো ও বিশেষ করে তাদের গোলকিপার এমপাসির জন্য আফসোস হতেই পারে। ওই সময়টা পর্যন্ত নিজেদের জীবনের সেরা ম্যাচটাই খেলছিল তারা।

এই দুই গোলে পেলেকে (১২) ছাড়িয়ে গেছেন কেইন। বিশ্বকাপে ইংলিশ ফরোয়ার্ড গোল এখন ১৩টি।

শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক মেক্সিকো। আগামী ৬ই জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালের লক্ষ্যে মুখোমুখি হবে দুদল। 

৮৬ মিনিট: ইংল্যান্ড ২-১ ডিআর কঙ্গো

গোল! হ্যারি কেইনের আরেকটি দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াচ্ছে, তখনই পাশা বদলে দিলেন ইংলিশ অধিনায়ক। ডি-বক্সের ডান প্রান্ত বরাবর দৌড়ে গিয়ে জোরালো এক শটে বল টপ রাইট কর্নারে পাঠিয়ে দেন কেইন! অসাধারণ এক গোল!


৭৫ মিনিট: ইংল্যান্ড ১-১ ডিআর কঙ্গো

গোল! হ্যারি কেইনের গোলে অবশেষে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড। বাঁ দিক থেকে গর্ডনের চিপ করা চমৎকার এক লুপার বল বক্সে খুঁজে নেয় ছয় গজ দূরে থাকা কেইনকে। দারুণ এক হেডে কঙ্গো গোলকিপার এমপাসিকে পরাস্ত করে বল জালের বাঁ কোণ দিয়ে ভেতরে পাঠান তিনি। এমপাসি বলে হাত ছোঁয়ালেও গোল আটকাতে পারেননি। ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ইংলিশরা!


৬৪ মিনিট: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

পরপর দুটি কর্নার পেলো কঙ্গো। ডান দিক থেকে বক্সে ভেসে আসা প্রথম বলটি ইংলিশ রক্ষণভাগ ফিরিয়ে দিলেও, বক্সের ডান প্রান্তে বল পান এমবুকু। তার নেয়া জোরালো শটটি এক ইংলিশ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে ডিফ্লেক্টেড হলে বাঁ দিক থেকে আরেকটি কর্নার পায় কঙ্গো। দ্বিতীয় কর্নারের বলটি বক্সে দারুণভাবে এলেও এবার শেষ পর্যন্ত বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয় ইংল্যান্ড।


৫৪ মিনিট: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

ডান দিক থেকে ক্রস বাড়ান মাদুয়েকে। সবার ওপরে লাফিয়ে উঠে হেড নেন রাশফোর্ড। কিন্তু বল বারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। ইংল্যান্ড একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারছে না। এর পেছনে বড় অবদান কঙ্গোলিজ গোলকিপার এমপাসির।


হাফ-টাইম: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

প্রথমার্ধ শেষে লিড ধরে রাখল ডিআর কঙ্গো। ম্যাচের ৭ মিনিটে সিপেঙ্গার দারুণ গোলটি ম্যাচের পুরো চিত্র বদলে দেয়। ধারণা করা হচ্ছিল ইংল্যান্ড দ্রুতই সমতায় ফিরবে। কিন্তু বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও তারা কঙ্গো গোলকিপার এমপাসিকে পরাস্ত করতে পারেনি। এক বড় অঘটনের সুবাস পাচ্ছে কঙ্গো। আর বাকি ৪৫ মিনিট তাদের সহ্য করতে হবে ইংলিশদের একের পর এক আক্রমণের তীব্র পরীক্ষা।


৪৩ মিনিট: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

কেইনের পেনাল্টির আবেদন ডাইভ হিসেবে নাকচ! একাই বল নিয়ে কঙ্গো গোলকিপারকে পরাস্ত করতে ছুটেছিলেন কেইন। তাকে রুখতে এমপাসি সামনে এগিয়ে এলে বক্সে পড়ে যান কেন, দেখে মনে হচ্ছিল তার ডান পায়ে আঘাত লেগেছে। ইংলিশ সমর্থকরা পেনাল্টির জোরালো দাবি জানালেও রেফারি একে ডাইভ বলে ম্যাচ চালিয়ে যাওয়ার ইশারা করেন। রেফারির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়ে পুরো ইংল্যান্ড দল।


৪২ মিনিট: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

উইসার শট পোস্টে লেগে ফিরলো! ডান দিক দিয়ে দারুণ এক দৌড়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান ওয়ান-বিসাকা। তার পাস থেকে বল পেয়ে উইসা কাছের পোস্টে পিকফোর্ডকে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বল লাগলো গোলপোস্টে। অল্পের জন্য এক চরম বিপর্যয় থেকে বেঁচে গেল ইংল্যান্ড!


২৩ মিনিট (হাইড্রেশন ব্রেক): ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক। আটলান্টায় ডিআর কঙ্গো এভাবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিড নেবে, তা হয়তো কেউই ভাবেনি। ফুটবলাররা যখন পানি পানের বিরতি নিচ্ছেন, ডাগআউটে বসে টুখেল নিশ্চয়ই তার শিষ্যদের কড়া কিছু বার্তা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


২০ মিনিট: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

মরার ওপর খাড়ার ঘা ইংল্যান্ডের। হলুদ কার্ড দেখলেন জুড বেলিংহাম! ম্যাচের তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে কঙ্গো, ইংলিশ রক্ষণভাগকে ফেলছে কঠিন পরীক্ষায়। পেছন থেকে এমবুকুকে স্লাইড ট্যাকল করায় রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডারকে হলুদ কার্ড দেখালেন রেফারি।


৭ মিনিট: ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো

গোল! ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে গেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। বক্সের একদম বাঁ দিকে সম্পূর্ণ ফাঁকায় বল পেয়ে যান এই লেফট উইঙ্গার। এরপর দারুণ এক শটে নিয়ার পোস্টের সামান্য ফাঁকা জায়গা দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন তিনি। আটলান্টার এই ম্যাচে মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় এমন গোল খেয়ে ইংল্যান্ড দল যেন পুরো স্তব্ধ হয়ে গেছে! জাতীয় দলের জার্সিতে এটিই প্রথম গোল সিপেঙ্গার। 

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন