ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইম উদ্দীনের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের শাস্তিসহ তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এতে ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলমের অপসারণের দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার দুপুর ১টায় রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করেন শিক্ষার্থীরা। অবস্থান কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।
এ সময় নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাফিরা জাহান বলেন, ‘পুলিশসহ যেকোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশ্ন করতে পারা নাগরিক অধিকার। অনেক লম্বা সময় ধরে আমাদের এই নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। গতকাল নাইমের ওপর হামলা পুলিশের সবসময় করা ইগোভিত্তিক ভায়োলেন্সের অংশ। গতকাল নাইম উদ্যানে হাঁটছিলো, ওরে প্রশ্ন করা হয়েছে। নাইম দেখিয়েছে ওর কাছে কিছু নাই। নাইম কেন প্রশ্ন করছে পুলিশের কাছে, এজন্য ওরে মারা হয়েছে। এটা কোন জায়গার ন্যায়? এর জবাবদিহিতা কে দেবে? আমরা কোন জবাবদিহিতা চাই না। আমরা ডিসি মাসুদ ও তার বাহিনীর বিচার চাই।’
আন্দোলনকারীদের পক্ষে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের আবদুল্লাহেল বুবুন। তিন দফা দাবি হলো- এক. ডিসি মাসুদসহ হামলায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া। দুই. ক্যাম্পাস এরিয়ার ভেতরে ও বাইরে সকল ধরনের পুলিশিং বন্ধ করা। তিন. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘হারুন গেছে যে পথে, মাসুদ যাবে সে পথে’, ‘আমার ভাইকে মারলো কেন, প্রশাসন জাবাব চাই’, ‘শাহবাগ থানা জবাব চাই, আমার ভাইকে মারলো কেন’, ‘মাসুদের গদিতে, আগুন জ্বালো একসঙ্গে’সহ নানা স্লোগান দেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।

Kazi
৩ মাস আগেক্যাম্পাসের ভিতরে বাইরে পুলিশিং বন্ধ করে গাঁজা, ছিনতাই এবং মাদকের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।