মুখোমুখি ফ্রান্স-নরওয়ে লড়াইটা এমবাপ্পে-হালান্দেরও

মুখোমুখি ফ্রান্স-নরওয়ে লড়াইটা এমবাপ্পে-হালান্দেরও

ফন্ট সাইজ:

কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আরলিং ব্রট হালান্দের দাপটে প্রতিপক্ষের ঘুম হারাম। দুই ম্যাচে চার গোল দু’জনেরই। ‘আই’ গ্রুপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার তারা মুখোমুখি। বোস্টন স্টেডিয়ামে আজ রাত ১টায় শুরু ফ্রান্স-নরওয়ে দ্বৈরথ। এরইমধ্যে নকআউট নিশ্চিত ফ্রান্স ও নরওয়ের। তালিকায় সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে ফরাসিরা। ফলে এক পয়েন্ট পেলেই গ্রুপের সেরা দল হিসেবে নকআউটে খেলবে ফ্রান্স। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে নরওয়ের জয়ই প্রয়োজন। অন্য ম্যাচে ইরাক খেলবে সেনেগালের সঙ্গে। দু’দলেরই তৃতীয় হয়ে টিকে থাকার সুযোগ রয়েছে। তবে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফলে সেই আশাও ভেস্তে যাবে।

‘আই’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন দল শেষ ৩২-এ পাবে অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ। তৃতীয় হয়ে নকআউটে যাওয়া কোনো দলের মোকাবিলা করবে তারা। আর ‘আই’ গ্রুপের রানার্সআপ খেলবে ‘ই’ গ্রুপের রানার্সআপের বিপক্ষে। এক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে ইকুয়েডর, আইভরি কোস্ট বা কুরাসাও।

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে?
১৯৯৮ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ফ্রান্সকে ২-১ হারিয়ে চমক উপহার দেয় নরওয়ে। বিশ্বকাপে ওটাই তাদের প্রথম ও শেষ দেখা। ফ্রান্সের বিপক্ষে হেড টু হেডে খুব একটা পিছিয়ে নেই নরওয়েÑ ৬ জয়ের বিপরীতে ৮ হার। কোচ স্টালে সোলবাকেন ম্যাচের আগে জানান, একাদশে পরিবর্তন আসবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্রান্সের বিপক্ষে কিছু পরিবর্তন আনবো। তাদের হারাতে চাই না এমন নয়। কিন্তু ম্যাচগুলোর মাঝে সময় কম। কয়েকজনের পেশীতে টান পড়েছে। তাই অন্যদের সুযোগ দিতে হবে।’

আগেই হার মানলেন হালান্দ?

নকআউট পর্ব নিশ্চিত হওয়ার পর হালান্দের একটি মন্তব্য আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা তো ইতিমধ্যেই পরের রাউন্ডে চলে গেছি। সম্ভবত ফ্রান্স আমাদের হারাবে। এমনকি বিশ্বকাপও জিতবে পারে।’ প্রশ্ন উঠেছে, হালান্দ কি তাহলে মাঠে নামার আগেই হার মেনে নিলেন, নাকি নিজেকে চাপমুক্ত রাখতেই এমন কথা?

এমবাপ্পের সামনে নতুন মাইলফলক
১৬ গোল করে এরই মধ্যে মিরোস্লাভ ক্লোসকে স্পর্শ করে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের তালিকায় তার সামনে কেবল লিওনেল মেসি। নরওয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকে এমবাপ্পে ছাড়িয়ে যাবেন মেসিকে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন