অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুসারে বাংলাদেশে সর্বমোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ২৩২টি। এর মধ্যে মোট সঞ্চয়ী হিসাবের সংখ্যা ১৭ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৫টি এবং মোট ঋণ হিসাবের সংখ্যা ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৬৭টি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিন বুধবার চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদের প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন, সারাদেশে কী পরিমাণ মানুষের ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে, যাদের ব্যাংক একাউন্ট নাই তাহাদেরকে ব্যাংক একাউন্ট করানোর কোনও পরিকল্পনা আছে কী? থাকলে, তা কবে নাগাদ বাস্তবায়িত হইবে?
এদিন লিখিত প্রশ্ন টেবিলে উত্থাপিত হয়। বিকাল তিনটায় শুরু হওয়া জাতীয় সংসদের বৈঠকে এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে ১০০ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার 'জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল (এনএফআইএস)' প্রণয়ন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ৬৪.৫০ শতাংশ। সরকার অনুমোদিত আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এমএফএস, বীমা, শেয়ার বাজার, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাসহ অন্যান্য আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হিসাব সংখ্যা।
মন্ত্রী জানান, এনএফআইএস এর বাস্তবায়ন সময়সীমা জু- ২০২৬ এ শেষ হবে, বিধায় আর্থিক সেবা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনদের মতামত ও তাদের প্রয়োজন বিবেচনা করে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির হার ১০০ ভাগে উন্নীত করার লক্ষ্যে এনএফআইএস এর দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল ২ (এনএফআইএস ২) বা ন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন স্ট্র্যাটেজি–২ (এনএফআইএস–২) জুন ২০২৬ থেকে জুলাই ২০৩১ সময়কালের জন্য প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
