আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আমিনুল ইসলাম। তাজুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। চলমান বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই জানিয়ে সদ্য বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আশা করি আমাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ নতুন চিফ প্রসিকিউটর সম্পন্ন করবেন। আমরা আশা করি বাংলাদেশের এই যে জনতা, ছাত্র-জনতার বিশাল ত্যাগের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ, তাদের ওপরে সংগঠিত নিষ্ঠুরতার যে বিচারের দাবি তাদের মধ্যে আছে, যে বিচারের তৃষ্ণা আছে—যে পরিবারের মানুষগুলো গুম হয়ে গেছেন, আর কখনো ফিরে আসবেন না, সেই পরিবারগুলো চায় নিখোঁজ হওয়ার বিচার হোক।’
তিনি বলেন, ‘সঠিক বিচারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো অন্তত একটা সান্ত্বনা পান যে, তাদের প্রিয়জনকে ফেরত না পেলেও অন্তত যারা এই অন্যায়টা করেছিল, তাদের একটা বিচার হয়েছে।’
সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই জানিয়ে সদ্য বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এই বিচারের যে তৃষ্ণা, যিনি দায়িত্বে আসছেন, তিনি এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে, বাংলাদেশের এই নির্যাতিত, বেদনাহত মানুষগুলোর প্রতি সুবিচার করার স্বার্থে এই বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহতভাবে সামনে অগ্রসর হবে।’
নতুন চিফ প্রসিকিউটরই নিয়োগ একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার হিসেবে অভিহিত করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার যখন দায়িত্ব নেন, স্বাভাবিকভাবেই তাদের রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় তারা তাদের পছন্দনীয় লোকজনকে বসাবেন, এটা হচ্ছে স্বাভাবিক নিয়ম। এক দল যখন ক্ষমতার থেকে চলে যায়, আমি এখানে নিয়োজিত হয়েছিলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়। এখন নতুন সরকার এসেছেন, তারা তাদের পছন্দের লোককে, তাদের কাজের সুবিধা, তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা করবেন এটাই স্বাভাবিক। আমার পক্ষ থেকে তাদের জন্য সর্বাত্মক শুভকামনা থাকল। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চাইব যে, বিচার প্রক্রিয়া এখানে চলমান আছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে।’

Matinur Chowdhury
৩ মাস আগেযা শুনা গিয়েছিল তাই ঘটতে যাচ্ছে। অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।