চাঞ্চল্যকর তথ্য, যেভাবে প্রেসিডেন্টকে অপসারণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়

চাঞ্চল্যকর তথ্য, যেভাবে প্রেসিডেন্টকে অপসারণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়

ফন্ট সাইজ:

প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন ১৮ মাস বঙ্গভবনে কেমন ছিলেন, কী করেছেন, কীভাবেই বা তার সময় কেটেছে, তার একটা চাঞ্চল্যকর বয়ান উপস্থাপন করেছেন জাতির সামনে। ঢাকার দৈনিক কালের কণ্ঠকে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি খোলামেলা বর্ণনা করেছেন। বলেছেন, দেড় বছর কোনো আলোচনায় তিনি ছিলেন না। অথচ তাকে নিয়ে চলেছে নানা চক্রান্ত। সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করার যে সব পাঁয়তারা চলছিল তাও উল্লেখ করেছেন সাক্ষাৎকারে। তার বর্ণনায়- তিনি সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। অসাংবিধানিক উপায়ে প্রেসিডেন্টকে উপড়ে ফেলার অনেক ছক তৈরি করা হয়েছিল। একে একে সবকটা ব্যর্থ হয়েছে। কঠিন সময়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব আমার পাশে ছিল। তারা সংবিধানের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছিলেন আমাকে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আমার মনের মধ্যে অনেক কৌতূহল ছিল। কিন্তু আমি পর্যায়ক্রমে বুঝতে পারলাম- তিনি খুবই আন্তরিকতাপূর্ণ মানুষ। দুঃসময়ে বিএনপির সহযোগিতা ছিল শতভাগ। এছাড়া সশস্ত্রবাহিনীর পক্ষ থেকেও সর্বোচ্চ সমর্থন দেয়া হয়। প্রেসিডেন্টকে অপসারণের উদ্যোগ কেন নেয়া হয়েছিল- এর ভেতরের গল্পও টেনে এনেছেন সাক্ষাৎকারে। বলেছেন, মূলত গণঅভ্যুত্থানের কিছু নেতার চাপে আমাকে অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিছু রাজনৈতিক দল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারও তাদের সঙ্গে সুর মেলায়। যদিও এ নিয়ে দুটি গ্রুপ হয়ে যায়। গ্রুপে গ্রুপে মিটিংও হয়, আলোচনা চলে। বিভিন্ন দল ও জোটের কাছে তারা যায়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি এমনই দাঁড়ালো- মেজরিটি হয়ে গেলেই আমাকে অপসারণ করা হবে। আমার মনোবল ভেঙে যাবে। তখন আমাকে পদত্যাগের জন্য বলবে। কিন্তু বিএনপির উচ্চপদে আসীন নেতা আমাকে বারবার আশ্বস্ত করেছিলেন- আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করবই। আমরা প্রেসিডেন্টকে অপসারণের পক্ষে নই। তখন জোট সঙ্গীদের একটা গ্রুপ হয়ে যায়। তাদের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। এসবই হয়েছে বিএনপি ও তাদের জোটের কারণে। প্রশ্ন ছিল আপনি কি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন? জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, ওই পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের কাছ থেকে কোনো ফোন পাননি। কোনো যোগাযোগই ছিল না। ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরাও বলতে গেলে আমার পাশেই ছিলেন। তারা চাননি এভাবে আমি অপসারিত হই। সাহাবুদ্দিন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস সংবিধানের কোনো বিধান মেনে চলেননি। সংবিধানে বলা আছে উনি যখনই বিদেশ সফরে যাবেন সেখান থেকে ফিরে এসে প্রেসিডেন্টকে জানাবেন- কী আলোচনা হলো বা কী চুক্তি হলো, তা লিখিতভাবে বলার কথা। ১৪-১৫ বার বিদেশ গেলেন, একবারও আমাকে জানাননি। তার আমলে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। সেসব বিষয়ে আমাকে জানানো হয়নি। যদিও অনেক অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, ড. ইউনূস তার সঙ্গে কোনো স্বাভাবিক সম্পর্কও রাখেননি। একবারের জন্যও বঙ্গভবনে যাননি। সম্পূর্ণভাবে আড়ালে রাখার চেষ্টা করে গেছেন। আমার দুইবার বিদেশ সফর আটকে দিয়েছেন। আমার প্রেস উইং পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। দুজন ফটোগ্রাফার ছিল তাদেরকেও পাওয়া গেল না। বলতে পারেন একদম প্রতিবন্ধী করে দিল। আমি প্রেসিডেন্ট হয়ে কেবিনেট সেক্রেটারিকে বারবার ফোন করেছি। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে বলেছি, জনপ্রসাশন সচিবকে বলেছি। কিন্তু কেউই পাত্তা দেননি।

MD Harun Ur Rashid

৩ মাস আগে

১০/১৫ বৎসর পরে রাজনৌতিক পটভূমি চেঞ্জ হয়ে যেতে পারে. অপজিট ঘরনার রাজনৌতিক শক্তি যদি ক্ষমতাসীন হয় তবে সংবিধান লঙ্ঘনের দায় সকলের বিচার হতে পারে.আবারো প্রমাণিত হলো বিনপি ভবিষতের কথা চিন্তা করে রাজনীতি করে.

Riaz

৩ মাস আগে

তেল বাজ প্রেসিডেন্ট এখন বিএনপি এর উপর ভর করেছে, যদি কিসু দিন বেশি থাকা যায়।

রুহেল

৩ মাস আগে

বিএনপি ঘোষনা দিয়েই চুপ্পুর পাশে ছিলো, তাকে অবৈধভাবে অপসারণ করে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি করতে দেয়নি। মুনাফিকরা চুপ্পুকে অবৈধভাবে অপসারণ করে বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলো। আল্লাহ মুনাফিকদের কখনই সফলতা দেন না, আবারও প্রমানিত।

Mohammad Harun Rashid

৩ মাস আগে

সর্বশেষ সাংবিধানিক পদ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারলে বাংলাদেশ গভীর সংকটে পতিত হতো নিশ্চিত। সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হতো এবং একটি নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় রাজনৈতিক সরকার আসার পথ বন্ধ হয়ে যেতো। পোড়খাওয়া বিএনপি এবং দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনী ভয়াবহ সংকটময় মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক পদটিকে রক্ষা করেছেন। এখানে রাষ্ট্রপতি সাহাব‌ উদ্দিন কোন বিষয় ছিল না, ছিল দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের স্বার্থে ন্যূনতম সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়।

Kazibabu

৩ মাস আগে

মানবজমিন দেশের আর কোনো খবর পায়নি। তেলের দাম বাড়তি।

জনতা

৩ মাস আগে

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব আমার পাশে ছিল। বুঝো বাংলাদেশী বুঝো।
--- প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন

Md Lutfar rahman

৩ মাস আগে

যত মাথা উঁচু ই প্রমান করুণ না কেন,হাসিনার পদ ধুলী নিয়ে পদটি বাগায়েছেন-জনতা তা ভুলে না

m Islam

৩ মাস আগে

যাক আপনি, বিএনপি আর সেনাবাহিনীর সাহসে শক্ত থাকায় ---পীনাকির ইনকিলাব জিন্দালাশে পরিনত হলো--- বাংলাদেশ পেলো সঠিক নেতৃত্ব

আব্দুল্লাহ

৩ মাস আগে

আপনার স্বার্থ বিবেচনায় হয়তো সঠিক কিন্তু আসলেই সঠিক কিনা তা সময়েই প্রকাশ পাবে।

Shah Amran

৩ মাস আগে

তারমানে হলো ফ্যাসিষ্টের রক্ষক হলো বিএনপি এবং ফ্যাসিষ্টদের পূনর্বাসন করবে বিএনপি এবং বিএনপি নিজেরাও ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠবে।

আব্দুল্লাহ

৩ মাস আগে

কথা সঠিক। এরাও আগের মতো হবে, বেশি ছাড়া কম হবেনা।

Khaja

৩ মাস আগে

বিএনপি আওয়ামী লীগের চেয়ে বেশি ফেসিস্ট হবে. শুধু একটু অপেক্ষা করেন.

জামিল

৩ মাস আগে

মানবজমিন মনে হোচ্ছে আওয়ামিলীগের দালালি শুরু করেছে

Mohammad Fazley Rabbi Khan

৩ মাস আগে

The Great Man Dr. Younus, and this was the great action by him towards the President. How a highly educated man can behave like this.

Harun-Al-Rashid

৩ মাস আগে

A similar example is seen in the nature. A tortoise in a favourable environment enjoys heat of the sun by spreading its head and legs, and remain curled up in unfavourable condition.

Susanta bikash barua

৩ মাস আগে

সময় শ্রেষ্ট বিচারক। অতএব অপেক্ষা করতে হবে।

Andrew Sikder

৩ মাস আগে

Very horrible situation He passed as mentioned. As a nation we always look forward but what type of example we find from superior authority of the country. Hope for the best in future.

ZIA

৩ মাস আগে

বাংলাদেশে সবই সম্ভব। সেলুকাস !!!!!!!

SENTHIA AFROZ

৩ মাস আগে

Apni kivabe tike asen apni e valo janen. Sobai k soralo apnk parlona. Bisoi ta kmn na.. Apni sober sathy mile cholen .

Md.Jahangir Alam

৩ মাস আগে

Dr.Mohammad Younus sir also may be in hidden pressure so he should not be in blamed

hossain md amir

৩ মাস আগে

আমি প্রেসিডেন্ট হয়ে কেবিনেট সেক্রেটারিকে বারবার ফোন করেছি। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে বলেছি, জনপ্রসাশন সচিবকে বলেছি। কিন্তু কেউই পাত্তা দেননি।----উড়ে এসে দখলকারী হয়তো যোগাযোগ না করতে পারে কারণ তার লক্ষ্য ছিল তার নিজের স্বার্থ হাসিল করা! তো যারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী তারা কেন আপনার যোগাযোগে সাড়া দেয়নি, তারা আজকে কোথায়?বর্তমান নির্বাচিত সরকার তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এটা জনগণ আশা করে এবং ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতির উদ্ভব যেন আর না হয় সেটার জন্যেও এই ব্যবস্থাটা একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে!

মন্তব্য করুন