রাশিয়া মনে হচ্ছে স্যার কিয়ের স্টারমারের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উপভোগ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালের পোস্ট পুনরায় শেয়ার করেছেন ক্রেমলিনের বিনিয়োগ বিষয়ক দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ। তাতে বলা হয়েছে যে, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ‘পদত্যাগ করবেন’। দিমিত্রিয়েভ একটি পোস্টে লিখেছেন, আমরা এটি করেছি। স্টারমারের পদত্যাগ আমাদের সবাইকে এক করেছে। তিনি আরও দাবি করেন যে ‘স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরাজিত ডেমোক্রেট প্রার্থী কমালা হ্যারিসের পক্ষে হস্তক্ষেপ করেছিলেন’। অন্য এক পোস্টে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, ‘স্টারমারকে অনুরোধের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে পদত্যাগে রাজি করানোর মাধ্যমে আপনারা (ভিনগ্রহীরা) আপনার ক্ষমতা ও কল্যাণ প্রমাণ করেছেন। এরপর তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কি এবার মের্ৎস’কেও টার্গেট করতে পারেন?’
তবে এসব জল্পনা সত্ত্বেও ডাউনিং স্ট্রিট স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, স্টারমারের পদত্যাগের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং প্রধানমন্ত্রী গত শুক্রবার বলেছেন, তিনি যেকোনো নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন এবং লড়াই করবেন।
