বিশ্বকাপ মানেই মাঠের তুমুল লড়াই এবং গ্যালারিতে কোটি ভক্তের উন্মাদনা। তবে এবারের আসরে গ্যালারির একটি বিশেষ দৃশ্য দেখে রীতিমতো চটেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি অধিনায়ক রয় কিন। ফুটবলারদের স্ত্রী ও সঙ্গিনীদের (ওয়াগ) নিজেদের সঙ্গীর নাম লেখা ব্যক্তিগত জার্সি পরে মাঠে আসাকে ‘হাস্যকর’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৪-২ ব্যবধানের দুর্দান্ত জয়ের পর যখন সবাই উদযাপনে মত্ত, ঠিক তখনই ‘দ্য ওভারল্যাপ’ পডকাস্টে গ্যারি নেভিলের সাথে আলাপকালে নিজের এই ক্ষোভ উগরে দেন কিন। ফুটবল সংস্কৃতির কোন বিষয়টি তিনি চিরতরে নিষিদ্ধ করতে চান, এমন প্রশ্নে আয়ারল্যান্ডের সাবেক এই মিডফিল্ডার সরাসরি আঙুল তোলেন ফুটবলারদের স্ত্রীদের দিকে।
রয় কিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বকাপে ফুটবলারদের স্ত্রী ও পরিবার যখন খেলা দেখতে আসে, তখন সবাই পিঠে স্বামীর নাম লেখা জার্সি পরে থাকে। ওহ, জাস্ট ভাবা যায় না! বাচ্চারা পরলে ঠিক আছে, কিন্তু স্ত্রীদের এই জার্সি পরাটা একদমই হাস্যকর।’
কিনের এই মন্তব্যের সাথে অবশ্য একমত হতে পারেননি আর্সেনালের সাবেক তারকা ইয়ান রাইট। তিনি বিষয়টিকে ভালোবাসার একটি সহজ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। রাইট পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘এতে আমি খারাপ কিছু দেখি না। তার স্বামী মাঠে খেলছে, সে তাকে নিয়ে গর্বিত এবং তার জার্সি পরতে চাইছে। বিষয়টি তো খুবই সাধারণ।’
তবে রয় কিন সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি কটাক্ষ করেই বলেন, “এক বছর পরেই তো দেখা যাবে এদের বেশিরভাগের ডিভোর্স হয়ে গেছে! অথচ এখন তারা ছবি তুলছে আর পিঠের ‘জিমি’ বা ‘জনি’ নামের দিকে আঙুল দিয়ে পোজ দিচ্ছে। বাহ! আমরা সবাই জানি আপনি কার বউ। ক্লাবের ম্যাচে তো ওল্ড ট্রাফোর্ড বা অ্যানফিল্ডে কাউকে প্রতি সপ্তাহে এমন জার্সি পরে যেতে দেখা যায় না তাহলে বিশ্বকাপে কেন?”
