২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় বাধা প্রদান, বিএনপি নেতাকর্মীদের অপহরণ ও হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগে বরিশালের সাবেক পুলিশ কমিশনার, সাবেক জেলা প্রশাসক এবং সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমসহ ১৪ জন নামধারী ও আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ এর বিচারক বাদীর আরজি পর্যালোচনা করে বন্দর থানাকে বিষয়টি নিয়মিত মামলা (এজাহার) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ প্রদান করেন। ?জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৬শে ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল বন্দর থানাধীন চাঁদপুর ইউনিয়নের রায়পুরা সাকিনস্থ বিশ্বাসের হাট নদীর ঘাটে এই অপরাধ সংঘটিত হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে পথরোধ, হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ, মারপিট করে জখম এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিরা হলেন- জাহিদ ফারুক শামীম (সাবেক এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী), রুহুল আমিন (সাবেক পুলিশ কমিশনার) বিএমপি।? এস এম অজিয়র রহমান- সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার। মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁইয়া- সাবেক ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিসি), বিএমপি। মো. মোস্তফা কামাল হায়দার- সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বন্দর থানা। শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ- সাবেক ওসি (তদন্ত), বন্দর থানা। এ ছাড়াও বন্দর থানার তৎকালীন এসআই এরফান হোসেন মৃদুল, সহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন এএসআই ও কনস্টেবলকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলাটি দায়ের করেছেন বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশ। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের প্রচারণাকালে পুলিশ ও তৎকালীন সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।
আদালতের এই আদেশের প্রেক্ষিতে বন্দর থানা (বিএমপি) মামলা নম্বর ১১, তারিখ ১৩ই নভেম্বর ২০২৪ মূলে এফআইআর গ্রহণ করেছে।
