দুদকের মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর জামিন

মুক্তিতে নেই বাধা

দুদকের মামলায় বেরোবির সাবেক ভিসি নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর জামিন

ফন্ট সাইজ:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় আপাতত কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। রোববার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

এদিন আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও আইনজীবী কাজী আহসান হাবিব। অন্যদিকে, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খান মো. মইনুল হাসান লিপন এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৬ই আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের অনুমতিতে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর মহানগর বিশেষ জজ আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর আগে, ২০২৫ সালের ৬ই জুন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, সাবেক উপাচার্য এ কে এম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এর সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনা ছাত্রী হল এবং ড. ওয়াজেদ মিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণ প্রকল্পে প্রায় চার কোটি টাকার অনিয়ম ও আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. আবদুস সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান। উল্লেখ্য, অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত একই পদে দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী।

হারুন আল রশিদ

১ ঘন্টা আগে

আসুন! আবার পতিত স্বৈরাচার হাসিনার পাপকে পূণ্যে রুপান্তে বয়ানের ঝাঁপড়ি খুলে গলা ধারিয়ে নয়তো চিবিয়ে টকশো মাতিয়ে তুলুন। আপনাদর অপেক্ষায় টকশো ময়দান হা হতোম্বী করছে।

মন্তব্য করুন