অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে বিরোধী দল

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী

অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে বিরোধী দল

ফন্ট সাইজ:

দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে বিরোধী দল প্রস্তাবিত বাজেটের বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, তাদের (বিরোধী দল) লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্যে একটাই, সেটা হচ্ছে- দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীলতা ও অশান্তি তৈরি করা এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করা। শনিবার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখননের পর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন। ওদিকে, দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

একইসঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন করেন তিনি। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে কোদাল নিয়ে খাল পুনঃখনন করেন এবং কাঠ বাদামের চারা রোপণ করেন। সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। ৯টা ৫৩ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান প্রমুখ।

বিমানবন্দর থেকে সড়ক পথে পিএমখালী ইউনিয়নে পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অনুষ্ঠানস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন শেষে সমাবেশে তিনি বলেন, খবরের কাগজগুলোতে দেখলাম, আলহামদুলিল্লাহ্‌, এইবার বাজেটের পর এখন পর্যন্ত কোনো জিনিসের দাম বৃদ্ধি পায়নি। কারণ চাল, ডাল, তেল, নুন- সব প্রয়োজনীয় যে জিনিসপত্রগুলো আছে, তার উপরে যে সকল ট্যাক্স ছিল বর্তমান সরকার এই দু’দিন আগের বাজেটে ৬০টি পণ্যের উপর থেকে ট্যাক্স তুলে নিয়েছে; যাতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম না বাড়ে। এর উদ্দেশ্য-লক্ষ্য একটাই, দেশের মানুষ যাতে ভালো থাকতে পারে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বলছে যে এই বাজেট তারা মানে না, এই গণবিরোধ বাজেট তারা মানে না। আপনাদের কাছে আমি প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দল মানে না। যেই বাজেটে মদের দাম বাড়ানো হয়, সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবার বিরোধী দলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন? তাদের (বিরোধী দল) লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, সেটা হচ্ছে- দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীলতা ও অশান্তি তৈরি করা এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করা।

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, কৃষির সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরকে শিল্প বাণিজ্য গড়ে তুলতে হবে এবং সে কারণেই শিল্প বাণিজ্য যদি গড়ে ওঠে তাহলে আমাদের সন্তানদের সেখানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে এবং সে কারণেই দেশীয় সকল শিল্প দেশে উৎপন্ন হয়, যে সকল দ্রব্য দেশে উৎপাদিত হয় একই জিনিস যেগুলো বিদেশ থেকে আসে, সেগুলোর উপরে আমরা ট্যাক্স বাড়িয়েছি; যাতে করে দেশে যেই দ্রব্যটি উৎপাদিত হচ্ছে, সেই দ্রব্যটি যারা উৎপাদন করে, সেই শিল্প কারখানাটি যাতে সাপোর্ট পেতে পারে- তার ব্যবস্থা আমরা এই বাজেটের মধ্যে রেখেছি। এটিও বিরোধী দলের পছন্দ নয়। আমি বলতে চাই যে, এদেশের মালিক আপনারা। দেশের মালিক কোনো রাজনৈতিক দল নয়, দেশের মালিক কোনো পরিবার নয়, দেশের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ২০ কোটি জনগণ।

বিএনপি’র সকল ক্ষমতার উৎস হচ্ছে জনগণ- উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাজেই জনগণই হচ্ছে আমাদের শক্তি। জনগণের সমর্থন হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় সমর্থন। জনগণের শক্তি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমাদের সঙ্গে জনগণের সমর্থন আছে বলেই যতক্ষণ আমাদের প্রাণ থাকবে আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাবো- এই দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করার জন্য, এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করার জন্য। কারণ এই দেশই হচ্ছে বিএনপি’র প্রথম ঠিকানা। এই দেশই হচ্ছে বিএনপি’র শেষ ঠিকানা।

বিএনপি’র নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আসুন দেশ আমাদের সকলের। এই দেশই আমাদের প্রথম ঠিকানা, এই দেশই আমাদের শেষ ঠিকানা। সেজন্যই আমরা বলি, এই দেশকে গড়লে আমরাই ভালো থাকবো, আমাদের সন্তানরাই শান্তিতে থাকতে পারবে। এই দেশকে যদি আমরা গড়তে না পারি তাহলে আমাদের সন্তানরা দুঃখ-কষ্টে থাকবে। কেউ কি চায় নিজের সন্তান কষ্টে থাকুক? কেউ আমরা চাই না। সেজন্যই আমরা একটি কথাই বলি- ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

কক্সবাজার সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আবদুল মাবুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন:
দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুপুর ১২টায় কক্সবাজার জেলার পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গর্জন গাছের চারা রোপণের মধ্যদিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। একইসঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী-এমপিরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশের সকলের কাছে আহ্বান জানাবো আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে-এই বিষয়টি মাথায় রেখে, এই চিন্তা থেকে আজ থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব সেখানে একটি করে বৃক্ষের চারা রোপণ করবেন।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযানকে সফল করতে পারি তাহলে এতোটুকু আমরা ধারণা করতে পারি যে, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিকভাবে বুকভরে পরিষ্কার শ্বাস নিতে পারবে। আসুন আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিশ্চয়তা দেই একটি পরিষ্কার একটি দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে পারি যেখানে আমাদের প্রজন্ম পরিষ্কার পরিবেশে বাস করবে।

বিএনপি’র নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল ক্ষমতায় এসে সারা দেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে। কক্সবাজারের মালুমঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে আরেকটি নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন কাজ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরে ১৭ই ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান সরকার গঠনের পর ঢাকার করাইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড, টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড, সিলেটে নতুন কুঁড়ি, স্পোর্টস কর্মসূচির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন জেলায় পাইলটিং প্রকল্প শুরু করে। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা এবং ক্রীড়াবিদদের সম্মানী ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেন।

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় আগামী ৫ বছরে এই বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। প্রথম ধাপে দেড় কোটি চারা ৪৯ জেলার ১৪৯ উপজেলায় রোপণ করা হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ছিলেন।

জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে এই খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

৪৮ বছর আগে ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে জিয়াউর রহমান পিএমখালীতে এসে নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতলী খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন। সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছও রোপণ করেন, যা আজ ৪৮ বছর পরও কালের সাক্ষী হয়ে বেঁচে আছে। প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে ফ্লাইট থেকে নামেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে পিএমখালীতে এসে বৃষ্টির মধ্যে নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতালী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।

ওদিকে খাল পুনঃখনন উপলক্ষে সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যে ভিজে পাতলী গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ সমবেত হয় খালের পাড়ে। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেখতে সকাল থেকে অপেক্ষা করছেন। প্রধানমন্ত্রী পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করে খালের পাশে অস্থায়ী মঞ্চে উঠে গ্রামবাসীদের হাত নেড়ে সালাম ও শুভেচ্ছা জানান।

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত: চব্বিশের জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুপুরে পেকুয়া উপজেলায় মেহেরনামা বাজারপাড়া এলাকায় শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করেন তিনি। কবর জিয়ারতের সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে শহীদ হন চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ওয়াসিম। তিনি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন।

পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ওদিকে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকালে নবগঠিত এই পৌরসভা ও উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন