শিগগিরই শিশু আছিয়া হত্যা মামলার আপিল শুনানি, হাইকোর্টে পৌঁছেছে পেপারবুক

শিগগিরই শিশু আছিয়া হত্যা মামলার আপিল শুনানি, হাইকোর্টে পৌঁছেছে পেপারবুক

ফন্ট সাইজ:

মাগুরার বহুল আলোচিত শিশু আছিয়া খাতুন ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত করা পেপারবুক (মামলার যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।

হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আছিয়া খাতুনের মামলার পেপারবুক ইতিমধ্যে হাইকোর্টে এসেছে। এখন এটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পরে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে পাঠানো হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুকটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। এরপর তিনি মামলাটির শুনানির জন্য হাইকোর্টের একটি ডেথ রেফারেন্স বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর গ্রামে সাত বছরের শিশু আছিয়া খাতুনকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার জন্ম দেয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের মে মাসে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি মিকাইল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে সেই দণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এ প্রক্রিয়াকে ‘ডেথ রেফারেন্স’ বলা হয়। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা খালাস চেয়ে জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল দায়ের করার সুযোগ পান।

এ মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পথ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।


M.A. Alim

১ ঘন্টা আগে

স্বপ্না নিজেই রামিসাকে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে রানাকে সুযোগ করে দিয়েছেন, একথা আদালতের রায়ে বা মিডিয়ায় আসেনি এটা আসা উচিৎ ছিল। আর এই কথা না আসার কারণে স্বপ্না বেঁচে যেতে পারে, আসলে স্বপ্না প্রধান আসমী হওয়ার কথা যেহেতু স্বপ্না আগে অপরাধ করেছিল।

মন্তব্য করুন