ইউরোপের মাটিতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদের সেরা প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। মঙ্গলবার রাতে সবশেষ ফুটবলার হিসেবে ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন হামজা চৌধুরী। তার যোগ দেয়ায় এখন পূর্ণাঙ্গ শক্তি নিয়ে অনুশীলনে নেমেছে বাংলাদেশ দল। সব সদস্যের উপস্থিতিতে সান মারিনোর কন্ডিশনে এখন পুরোদমে চলছে রণকৌশল সাজানোর কাজ।
আগামীকাল সান মারিনোর মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ সামনে রেখে গত সোমবারই ইউরোপের এই দেশটিতে পা রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সোমবার সান মারিনোতে পৌঁছানোর পরপরই দলে যোগ দেন প্রবাসী ফুটবলার শমিত সোম। এরপর গভীর রাতে ক্যাম্পে এসে পৌঁছান জায়ান আহমেদ এবং পরদিন বিকালেই তিনি নেমে পড়েন অনুশীলনে। সবশেষে হামজা চৌধুরী যুক্ত হওয়ায় দলের সবাই এখন ক্যাম্পের অংশ। দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার ক্লান্তিকর এক ভ্রমণ শেষে প্রথম দিনটি ফুটবলাররা কাটান হালকা রিকভারি সেশনের মধ্য দিয়ে।
তবে এর পরদিন থেকেই শুরু হয় পুরোদস্তুর স্কোয়াড অনুশীলন। ক্যাম্পে যোগদিয়ে নতুন কোচ থমাস ডুলিকে নিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘এরইমধ্যে দলের অন্যরা কোচের কৌশলে অভস্ত হওয়ার চেষ্টা করছে। আমি জায়ান, শমিত এখানে ক্যাম্প যোগ দিয়েছি। আশা করছি দ্রুত কোচের কৌশলে মানিয়ে নিতে পারবো। ফিফা র্যাঙ্কিং ৩০ ধাপ পিছিয়ে থাকলেও সান মারিনোকে মোটেও হালকা হিসেবে দেখছেন না হামজা। এ কারণ ব্যাখ্যা করে হামজা বলেন,‘ম্যাচটা মোটেও হালকা হবে না। একেতো আলাদা কন্ডিশন, তাছাড়া ওরা সব সময় ইউরোপের শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেলে। তাই ম্যাচটি আমাদের জন্য কঠিন হবে।’ ২১১তম সান মারিনো প্রতিপক্ষ হিসেবে আসলে কেমন? দলটি সর্বশেষ যে ম্যাচ খেলেছে, সেই স্কোয়াডে শতভাগ পেশাদার ফুটবলারের সংখ্যা চার থেকে পাঁচজন।
যারা ইতালির তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। দলটির অধিনায়ক মাতেও ভিতাইওলিও খেলেন তৃতীয় স্তরের একটি দলে। এই স্তরে খেলেন স্ট্রাইকার নিকোলা ন্যানিও। এ ছাড়া ফিলিপ্পো ফ্যাবরি, দান্তে রসি ও গ্যাব্রিয়েল ক্যাপিচিয়োনি খেলেন চতুর্থ সারির লীগে। বাকি যারা আছেন, তারা কেউই পেশাদার ফুটবলার নন। অন্য পেশার পাশাপাশি তারা জাতীয় দলের হয়ে খেলেন এবং সে দেশের ফুটবল সংস্থার কাছ থেকে বেতনও পান। ৫ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এই সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে জামালরা।
