উত্তরা দিয়াবাড়িতে পশুরহাট

মেট্রো স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে ডিএনসিসির কমিটি

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় কোরবানির পশুরহাট পরিচালনায় অনিয়মের কারণে সংলগ্ন মেট্রো রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন, ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অঞ্চল-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব)। বুধবার ডিএনসিসির এক অফিস আদেশে বলা হয়, আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, উত্তরা দিয়াবাড়ি ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকার খালি জায়গা এবং মেট্রোরেলের পার্শ্ববর্তী ১৮ নম্বর সেক্টরের সি-ব্লকের খালি মাঠে অস্থায়ী গবাদী পশুর হাট পরিচালনার সময় উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনের নিচে এবং আশপাশের এলাকায় ময়লা-আবর্জনা সৃষ্টিসহ গাছপালা ভাঙচুর হয়। এছাড়া পশুবাহী যানবাহন চলাচলের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এর আগে, এ বছর উত্তরায় দিয়াবাড়িতে কোরবানির পশুর হাটের সিমানা ছাড়িয়ে মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় ব্যাপারিরা পশু রেখে দেন।

ফলে, সেখানকার পরিবেশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এ বিষয়ে মহানগর পুলিশ ও ডিএনসিসি হাটের ইজারাদারকে ডেকে সতর্ক করে। এছাড়া পুলিশ ও ডিএনসিসি অভিযান চালিয়ে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশু বিক্রি বন্ধ করে। তারপরও হাট ছাড়িয়ে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ও আশপাশে কোরবানির পশু বেচাকেনার ফলে সৃষ্ট আবর্জনা এবং ভাঙা গাছপালার বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওদিকে, ১লা জুন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান দাবি করেন, সরকার ও সিটি করপোরেশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি’ ব্যবহার করে মেট্রোরেল এলাকার পরিবেশ নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন