ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে বিএনপি’র কর্মী নিহত

ফন্ট সাইজ:

ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে রানা মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ঘাতক মাহিন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৫ জন। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে নগরীর চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রানা একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে ও পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। সে বিএনপি’র কর্মী ছিল বলে দাবি স্বজনদের। ঘাতক মাহিন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে। আহতরা হলেন- আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০), দিনি মিয়া (৩৫)।

নিহতের স্বজন মাহাবুল বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আমরা বিএনপি’র পক্ষে কাজ করেছি ও ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। এরপর থেকে জামায়াত নেতা মফিদুল মাস্টারের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। গত সোমবার মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে আমাদের বাড়ির সামনে দোকানে তরল পানীয় কিনতে আসে। এ সময় এক কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে তরল পানীয় খাচ্ছে বলে ভিকটিমের পক্ষের লোকজন হেয় করে কথা বলে। এতে মফিদুলের বাড়ির লোকজন ভোটের জেদ মেটাতে মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

এ ঘটনার পর রাতে আবারো মফিদুলের বাড়ির ছেলেরা আমাদের বাড়িতে হামলা করে। পরে মফিদুল নিজে আমাদের বাড়িতে এসে বিষয়টি মীমাংসা করে। পরে মঙ্গলবার বিকালে মফিদুল অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন লোকবল নিয়ে হামলা করে। হামলার সময় মাহিন ছুরি দিয়ে রানার বুকের পাশে আঘাত করে। হামলায় আরও ৫ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহতের ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ভাইকে বিনা কারণে ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন