মাগুরায় তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বুধবার সকাল থেকেই সূর্যের তীব্রতা বাড়ার ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ বিপর্যয়। তীব্র গরমের কারণে শিশু, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরীরা, ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সকাল সাড়ে ৯টায় মাগুরা শহরে রোদের তীব্রতা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুপুর ১২টায় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬ ডিগ্রিতে। অনেকেই রোদ থেকে বাঁচতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন।
গৃহিণী নাজমুন্নাহার রত্না বলেন, দুইদিন ধরে রোদের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার সন্তান জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে মানুষের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসবে। কৃষক কার্তিক বিশ্বাস বলেন, গরমের কারণে পাট গাছের চারা বৃদ্ধি পাচ্ছে না। তীব্র গরম হলে পাটগাছ বাড়বে না। কিছুদিন আগেও মাঝে মাঝে বৃষ্টি হয়েছিল যার ফলে পাটগাছ বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। গরমে মাগুরা রেড ক্রিসেট ইউনিট মাগুরা শাখার আয়োজনে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে তীব্র গরমে পিপাসার্ত মানুষকে পানি খাওয়াতে দেখা যায়।
তারা বলেন-সকাল থেকে তীব্র রোদের কারণে আমরা এই স্থানে কাজ করতে পারছি না। সকাল থেকেই আমরা প্রায় শতাধিক লোককে ঠাণ্ডা পানি খাওয়াতে সক্ষম হয়েছি। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাওয়ালা, ভ্যানচালক, অটোচালক, কিছু কিশোর বৃদ্ধ সবাই আমাদের পানি পান করছে। এদিকে তীব্র গরমের কারণে শহরে সাধারণ মানুষকে কম দেখা গেছে। আর যারা অফিস-আদালত, ব্যাংক, বাণিজ্যে বের হচ্ছেন তারা ছাতা মাথায় দিয়েই কর্মস্থলে যাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন তীব্র গরমের কারণে আমাদের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
