কলারোয়া সীমান্তে পুশইন আতঙ্ক

কলারোয়া সীমান্তে পুশইন আতঙ্ক

ফন্ট সাইজ:

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বাংলাদেশে অবৈধভাবে লোকজন ঠেলে দেয়ার আশঙ্কায় কলারোয়া সীমান্তে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সীমান্তের ওপারে বিপুলসংখ্যক নারী, পুরুষ ও শিশুকে জড়ো করার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে বিজিবি। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৬শে মে থেকে কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি ও চন্দনপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় ২০০ থেকে ৩০০ জন লোককে অবস্থান করতে দেখা যায়। কয়েকদিন ধরে তারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। পরবর্তীতে বিএসএফ কয়েক দফায় তাদের সীমান্তের কাছাকাছি নিয়ে আসে। এতে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়।

সূত্রে জানা গেছে, ভারতের বিভিন্ন এলাকায় আটক বাংলাভাষী লোকজনকে সীমান্তবর্তী অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রাখার পর বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে কিছু লোককে বাংলাদেশি দাবি করে সীমান্ত পথে পুশইনের চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে সাতক্ষীরা সীমান্তকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এদিকে সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধের পাশাপাশি সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানও জোরদার করেছে বিজিবি। কলারোয়ার কাকডাঙ্গা, পদ্মশাখরা, মাদরা, হিজলদী ও চান্দুড়িয়া বিওপি এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন অভিযানে ভারতীয় শাড়ি, ওষুধ ও অন্যান্য চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে। সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্তে টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। যেকোনো ধরনের পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন