জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও মুহাম্মদ ইউনূস আঞ্চলিক শক্তির বিপরীতে সার্বভৌম বাংলাদেশের তিন স্থপতি

জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও মুহাম্মদ ইউনূস আঞ্চলিক শক্তির বিপরীতে সার্বভৌম বাংলাদেশের তিন স্থপতি

ফন্ট সাইজ:

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাস শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস নয়, এটি একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তির রাজনীতির মধ্যে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষারও ইতিহাস। দক্ষিণ এশিয়ায় একটি বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্রবেষ্টিত ছোট দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিকাশে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বরাবরই কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতীকী রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। নেতৃত্বের ধরন, সময়কাল ও কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র ভিন্ন হলেও এই তিনজনই বহুত্ববাদী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তিতে একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের ধারণাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন।

বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ :

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যেখানে বৃহত্তর আঞ্চলিক শক্তির প্রভাবের মধ্যেই তাকে নিজের সার্বভৌমত্ব ও নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা সংজ্ঞায়িত করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্বে ছোট রাষ্ট্রগুলোর টিকে থাকার প্রশ্নকে প্রায়ই ‘স্মল-স্টেট সার্বভৌমত্ব’ বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ধারণার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়, যেখানে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ কৌশলের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পানি বণ্টন, সীমান্ত বিরোধ, অর্থনৈতিক নির্ভরতা, ট্রানজিট, জনসংখ্যা স্থানান্তরসহ বিভিন্ন বিষয় দেশটিকে প্রায়ই একটি সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক অঞ্চলে পরিণত করেছে। ফলে সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন এবং তার অনুসন্ধান অবশ্যম্ভাবীভাবে জাতীয় ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার প্রশ্নের সঙ্গে একীভূত হয়েছে। উপর্যুক্ত প্রেক্ষাপটে এই তিন নেতার রাজনৈতিক জীবন ও উত্তরাধিকারকে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

কৌশলগত সার্বভৌমত্ব ও জিয়াউর রহমান:

দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও টালমাটাল সময়ের পর, যখন বাংলাদেশ কঠিন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজের অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করছিল, তখন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণা সামনে আনেন। এর লক্ষ্য ছিল সার্বভৌমত্ব, বহুত্ববাদ, ইসলামী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার ভিত্তিতে একটি বিস্তৃত জাতীয় পরিচয় গড়ে তোলা।

জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন যে, রাষ্ট্রের টিকে থাকার জন্য বাংলাদেশকে কোনো একক আঞ্চলিক শক্তির প্রভাব বলয়ের অংশ হিসেবে দেখা যাবে না। সে কারণে তার সময়ের পররাষ্ট্রনীতি ছিল বহুমাত্রিক ও বহুমুখী সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর ভিত্তি করে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, মুসলিম বিশ্ব এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদার করে। একই সঙ্গে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে শ্রম কূটনীতির কার্যক্রমও বিস্তৃত হয়। সম্ভবত তার পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা। ফলে জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো নির্দিষ্ট আঞ্চলিক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার প্রবণতা দেখা যায়নি। তার নেতৃত্ব এ বার্তা দিয়েছিল যে, বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে।

রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও খালেদা জিয়া:

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বৃহত্তর সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। তার রাজনৈতিক বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রতিরোধের প্রশ্ন। খালেদা জিয়া আঞ্চলিক কোনো একক শক্তির ওপর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমাতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। তার নেতৃত্বাধীন সরকার চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ করেছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ব্যাপক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এটিকে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান তৈরির প্রয়াস হিসেবে দেখা যেতে পারে। খালেদা জিয়ার বহু সমর্থক মনে করেন, তার রাজনৈতিক সংগ্রাম ছিল নির্বাচন ব্যবস্থা, জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম। ফলে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সার্বভৌমত্বের ধারণা এখানে একীভূত হয়ে যায়।

তিনি এমন একটি রাজনৈতিক ধারার প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যা বাংলাদেশকে একটি স্বতন্ত্র জাতিরাষ্ট্র ও সংস্কৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চায় এবং বিদেশি আদর্শিক বা ভূরাজনৈতিক আধিপত্য থেকে মুক্ত রাখতে আগ্রহী। তার শাসনামলে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তীব্রভাবে মেরুকৃত হলেও খালেদা জিয়ার বক্তব্যে ধারাবাহিকভাবে একটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। তা হলো-বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের জনগণ।

নৈতিক সার্বভৌমত্ব ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস:

যদি জিয়াউর রহমান কৌশলগত সার্বভৌমত্বের প্রতীক হন এবং খালেদা জিয়া রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রতিনিধিত্ব করেন, তবে প্রফেসর ইউনূস এক ভিন্ন ধরনের ধারণার প্রতিনিধিত্ব করেন। যার মূলমন্ত্র ‘নৈতিক সার্বভৌমত্ব’। প্রচলিত অর্থে রাজনীতিবিদ না হয়েও ড. ইউনূস নৈতিকতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্বপরিসরে পরিচিতি লাভ করেন।

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ও গ্রামীণ ব্যাংক এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের একটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন। স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশের রূপান্তরপর্বে তিনি নতুন এক জাতীয় প্রতীকে পরিণত হন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং সুশাসনের প্রত্যাশী একটি রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে শুরু করে। তবে তার নেতৃত্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অসাধারণ গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা। একাডেমিক মহলে ব্যাপক সমাদৃত ড. ইউনূস বাংলাদেশের জন্য এক অভূতপূর্ব নৈতিক প্রভাবশক্তি সৃষ্টি করেন।

তার নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক সক্রিয়তার মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে শুরু করে। দেশের অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক প্রকল্পের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করে, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করে, নতুন নতুন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করে এবং আরও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার চেষ্টা চালায়। সামগ্রিকভাবে ড. ইউনূস বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের এক প্রতীকে পরিণত হন।

ভারতবিরোধী বক্তব্য ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন:

তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে ভারতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নানা মতপার্থক্য ও বিতর্ক থাকলেও বাংলাদেশ ও ভারত বহু সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত ঐতিহ্যের অংশীদার। এছাড়া দুই দেশের কোটি কোটি মানুষ ইতিহাস, ভাষা, অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বন্ধনে পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত। মূল প্রশ্ন কখনোই ভারত নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নয়। বরং প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশ কি ভারতের সঙ্গে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক পরিচালনা করবে, নাকি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ মেনে নেবে? এ ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার অর্থ প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব নয়। বরং সার্বভৌমত্বের আকাঙ্ক্ষাকে কৌশলগত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার উত্তর-ঔপনিবেশিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা উচিত। অন্য কথায়, সার্বভৌমত্ব মানে ভূরাজনৈতিক চাপমুক্তভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা।

নতুন জাতীয় চেতনার উত্থান:

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের অন্যতম দিক হলো এমন এক তরুণ প্রজন্মের উত্থান, যারা জাতীয় পরিচয় ও সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব সম্পর্কে ক্রমশ সচেতন হয়ে উঠছে। বিশ্বায়ন ও আন্তর্জাতিক সংযোগের যুগে বাংলাদেশের তরুণরা জবাবদিহি, মানবাধিকার এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে অনেক বেশি সচেতন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং বৈশ্বিক যোগাযোগের সুযোগ তাদের মধ্যে জাতীয় গৌরববোধকে আরও শক্তিশালী করেছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং ড. ইউনূসকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী নেতা হিসেবে দেখা হয়।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ ও সার্বভৌমত্ব:

বাংলাদেশ বর্তমানে তার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়, যেখানে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন শক্তি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত, সেখানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করবে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার সক্ষমতার ওপর। জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসের নেতৃত্বের ধরণ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে তার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ আরও বহুমুখী করতে হবে এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌম মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। সার্বভৌম বাংলাদেশ মানেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংঘাত নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, সমমর্যাদা ও স্বাধীনতার ভিত্তিতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা। ইতিহাস দেখিয়েছে, একটি জাতি তখনই সফল হয়, যখন সে তার গণতন্ত্র, সংস্কৃতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সক্ষম হয়। উত্তর-ঔপনিবেশিক চিন্তাবিদ ফ্রাঞ্জ ফানো বলেছিলেন, প্রতিটি প্রজন্মকে তার নিজস্ব মিশন আবিষ্কার করতে হয়। সেই মিশন হয় পূরণ করতে হয়, নয়তো তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে হয়। সুতরাং আধুনিক বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা।

(লেখক: যুক্তরাষ্ট্রের সাভান্নাহ স্টেট ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক এবং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান।)

(এটা লেখকের নিজস্ব মতামত। এর সঙ্গে মানবজমিনের নীতিগত অবস্থানের ফারাক রয়েছে)

জনতা

১ মাস আগে

ড. ইউনূস সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি? আমেরিকার সাথে তার করা চুক্তি পড়েছেন? যদি না পড়ে থাকেন পড়ে নিয়েন, আর যদি পড়ার পরও ড. ইউনূস সম্পর্কে আপনার মত একই থাকে তবে আপনি একজন গুপ্ত এবং চাটুকার।

মন্তব্য করুন