পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে নাড়ির টানে ঘরমুখো মানুষের চাপে আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিকেলে আশুলিয়ায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখো মানুষে। ঈদের ছুটিতে বিকেলে একযোগে সবাই গ্রামের উদ্দেশ্যে রাস্তায় নেমে এলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এবং যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠনামা করানোয় এই যানজটের সৃষ্টি হয়।
সোমবার বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের নবীনগর থেকে বাইপাইল এবং জিরানী থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত সড়কে তীব্র যানজটের খবর পাওয়া গেছে।
এসময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাইপাইল পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের জিরানী থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।
সাভার পরিবহনের যাত্রী মুন্না হোসেন বলেন, আমি গাবতলী থেকে ৪ টার দিকে রওনা হয়েছি চন্দ্রা যাওয়ার উদ্দেশে। কিন্তু সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইলে এসে যানজটে বসে আছি বলে জানান তিনি।
সেলফি পরিবহনের চালক মোঃ মারুফ বলেন, বিকেলের দিকে সড়কে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। তাই বাসের চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশমাইল এলাকায় মহাসড়কের উপর যত্রতত্রভাবে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করায় যানজট শুরু হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষন আটকে থেকে নবীনগর পার হতেই আধাঘন্টার উপর সময় চলে গেছে।
এদিকে মহাসড়কের যানজটের প্রভাব পড়েছে আশাপাশের সংযোগ সড়কেও। এতে করে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজেও যেতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়া দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকে থেকে শিশু ও বৃদ্ধসহ সাধারণ যাত্রীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই এমন ভোগান্তিতে পড়ে হতাশ সাধারণ যাত্রীরা।
সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শাহজাহান বলেন, বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর কারণে বিকালের দিকে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে যানজট শুরু হয়ে বাইপাইল পর্যন্ত গেছে। তবে, যানজট নিরসনে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
