শিশুদের সঙ্গে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের সঙ্গে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষ করে প্রধানমন্ত্রী যান মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে’।
প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা আনন্দে বিভোর হয়ে ওঠে, দৌড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ফেলে তাদের খুশির অনুভূতি প্রকাশ করতে দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পেয়ে শিশুরা এতো খুশি হয়েছিলো যে, তারা প্রধানমন্ত্রীর চারপাশ ঘিরে সেই খুশির আনন্দ প্রকাশ করছিলো। প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের কাছে পেয়ে অন্যরকম কিছুটা সময় কাটিয়েছেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটেছেন। শিশুদের বিভিন্ন রকমের চকলেট, টফি, ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন, দিয়েছেন গিফট ব্যাগ। চকলেট-টফি দিতে দিতে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, আর কেউ কি বাকি আছে।
ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ভূমি ভবনের তৃতীয় তলায়। তিনদিনব্যাপী ভূমিমেলার উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী ভবনের নিচতলা ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ যান।

আগে থেকেই একটি কেক রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী সেই কেকটি দেখে বলেন, আজকে কার জন্মদিন বলো তো? একেকজনকে বলতে শোনা যায়, আঙ্কেল আমার, আঙ্কেল আমার। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা একসঙ্গে কেক কাটি। শিশুদের নিয়ে হাতে হাত রেখে কেকটি কাটেন প্রধানমন্ত্রী।
অধ্যাপক জাহিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন শিশুদের নিয়ে কেক কাটছিলেন, শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি হ্যাপি বার্থ ডে।

ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভা তামান্না এখানে শিশুদের কীভাবে যত্ন নেয়া হয় তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী ওই সময়ে জানতে চান, শিশুদের কি কি খাবার দেয়া হয়।
ওদিকে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, প্রধানমন্ত্রী আঙ্কেলকে দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আঙ্কেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আঙ্কেলও কেক খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আঙ্কেল খুব ভালো, খুব সুইট।

জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারা দেশে এই ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি। তিনি বলেন, ৪ বছর থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুর সংখ্যা ৬০ জন। আজকে উপস্থিত ছিল ৫৫ জন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ১৫ মিনিটের কিছু বেশি সময়ে এই কেন্দ্রে অবস্থানের পর প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে হাত নেড়ে ‘টা টা’ দিয়ে বিদায় নেন। কেন্দ্রটি পরিদর্শনের সময়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন